সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৩%বাতাস ১৭ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৮ মিমি

ক্যানসার চিকিৎসা চলাকালে যে ফলগুলো সবচেয়ে উপকারী

ক্যানসারের চিকিৎসা চলার সময় খাবার নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি বা অন্য চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় অনেক সময় বমি ভাব, মুখে ঘা, ক্ষুধামান্দ্য কিংবা হজমের সমস্যা দেখা দেয়। এই সময়ে ফল হতে পারে শরীরের জন্য সহজ, নিরাপদ ও পুষ্টিকর এক ভরসা।

ফল

ক্যানসারের চিকিৎসা চলার সময় খাবার নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি বা অন্য চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় অনেক সময় বমি ভাব, মুখে ঘা, ক্ষুধামান্দ্য কিংবা হজমের সমস্যা দেখা দেয়। এই সময়ে ফল হতে পারে শরীরের জন্য সহজ, নিরাপদ ও পুষ্টিকর এক ভরসা।

চিকিৎসকেরা বলেন, ফল শুধু ভিটামিন বা খনিজের উৎস নয় - চিকিৎসার ধকল সামলাতেও কিছু ফল বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে।

চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুযায়ী ফল নির্বাচন

ক্যানসারের চিকিৎসার সময় শরীরের প্রতিক্রিয়া সবার এক রকম হয় না। তাই উপসর্গ বুঝে ফল বেছে নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

>> বমি বা বমি ভাব হলে নরম ফল সহজে হজম হয়।>> কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হলে কাঁচা ফল, শুকনো ফল কিংবা প্রুন জুস উপকার দিতে পারে।>> ডায়রিয়া হলে কলা, আপেল সস ও ফলের রস তুলনামূলক নিরাপদ।>> ক্ষুধামান্দ্য থাকলে শুকনো ফল বা ফল দিয়ে তৈরি স্মুদি শরীরে ক্যালরি জোগাতে সাহায্য করে।>> মুখে ঘা হলে নেকটার, আপেল জুস বা নরম ক্যানড ফল খাওয়া সহজ।

তবে জুস পান করলে সতর্ক থাকতে হবে – এতে অতিরিক্ত চিনি আছে কিনা। কারণ, রিফাইন্ড সুগার ক্যানসার রোগীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

সাইট্রাস ফল: রোগ প্রতিরোধে সম্ভাব্য সহায়ক

কমলা, মাল্টা, আঙুরের মতো সাইট্রাস ফল নিয়ে গবেষণা বলছে, এগুলো নিয়মিত খেলে কিছু ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমতে পারে। জাপানে করা একটি বড় গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন সাইট্রাস ফল বা ফলের রস খান, তাদের ক্যানসারের ঝুঁকি তুলনামূলক কম।

বিশেষ করে হজমনালী, ফুসফুস, স্তন, প্রোস্টেট ও ত্বকের কিছু ক্যানসারের ক্ষেত্রে এই ফলগুলো সম্ভাব্য সুরক্ষা দিতে পারে।

আপেল ও সাদা ফলের ভূমিকা

গবেষণার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আপেল খাওয়ার সঙ্গে ক্যানসারের ঝুঁকি কমার সম্পর্ক রয়েছে, বিশেষ করে ফুসফুসের ক্যানসারের ক্ষেত্রে। আপেলের মধ্যে থাকা কোয়েরসেটিন ও বিশেষ ধরনের কার্বোহাইড্রেট কোষের ক্ষতি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

আপেল ছাড়াও নাশপাতি, মাশরুম, পেঁয়াজ - সাদা ফল ও সবজি কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

সবুজ ফল ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য

কিউই, হানিডিউ মেলন, সবুজ আঙুরের মতো সবুজ ফল অন্ত্রের জন্য উপকারী। বিশেষ করে কিউই ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এবং অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া বজায় রাখতে সহায়তা করে, যা কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

শুকনো ফল কেন গুরুত্ব পাচ্ছে?

প্রুন, কিশমিশের মতো শুকনো ফল নিয়মিত খেলে কোলোরেক্টাল পলিপ, প্রোস্টেট ক্যানসার এবং প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসারজনিত মৃত্যুঝুঁকি কমতে পারে - এমন তথ্য পাওয়া গেছে কিছু গবেষণায়। তাই সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচবার শুকনো ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্য ফল নিয়ে গবেষণা কী বলছে?

আনারসের ব্রোমেলিন, ডালিমের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বা কমলা রঙের ফলের ক্যারোটিনয়েড - এসব নিয়ে গবেষণা চলছে। এখনই নিশ্চিতভাবে বলা না গেলেও, এসব ফল উচ্চ ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণ ও হজমে সহায়ক, যা ক্যানসার রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখবেন

কোনো একটি ফলই ক্যানসার সারিয়ে তোলে না। তবে চিকিৎসার সময় সঠিক ফল বেছে নেওয়া শরীরকে শক্ত রাখে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমায় এবং সুস্থ থাকার লড়াইটা কিছুটা সহজ করে। একারণে চিকিৎসা চলাকালে ডাক্তারের পরামর্শে সঠিক ফল নির্বাচন করুন।

সূত্র: ওয়েব এমডি

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()