সাম্প্রতিক ফসল প্রতিবেদন অনুযায়ী টেক্সাসের ৯০ শতাংশের বেশি এলাকা কোনো না কোনো মাত্রার খরায় এবং রাজ্যের এক-তৃতীয়াংশের বেশি তীব্র বা তার চেয়ে খারাপ খরায়। ২০২৬ সালের ফসল কাটায় তার ক্ষতি স্পষ্ট। সবচেয়ে বেশি মার খেয়েছে বৃষ্টিনির্ভর তুলা: বহু এলাকায় বল ঠিকমতো হয়নি, ফসল নষ্ট হয়েছে এবং বিমার দাবি জমা পড়েছে।
হাই প্লেইনস ও রোলিং প্লেইনসে বারবার ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়ানো তাপ, জোর বাতাস আর প্রায় শূন্য বৃষ্টিতে জোয়ার, তুলা ও গোখাদ্য ফসলের ফলন কমেছে; কিছু বৃষ্টিনির্ভর জমি পুরোপুরি বাদ দিতে হয়েছে। কৃষিবিদরা সতর্ক করেছেন, খরায় চাপে থাকা গোখাদ্য জোয়ারে পশুর জন্য বিষাক্ত যৌগ জমতে পারে, তাই চরানোর আগে পরীক্ষা জরুরি।
ব্যতিক্রম কোস্টাল বেন্ড অঞ্চল। বসন্তের বৃষ্টিতে সেখানে ভুট্টা, জোয়ার ও তুলা গ্রীষ্ম পার করেছে, তুলা কাটা মসৃণভাবে এগিয়েছে আর ফলনও সন্তোষজনক। তবে আগামী বসন্তের আগে মাটির আর্দ্রতা ফেরাতে পারবেন কি না, সে দুশ্চিন্তায় আছেন চাষিরা।
ধান এলাকায় সমস্যা উল্টো: বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টি ফলন ও দানার মান কমিয়েছে। মূল ফসল উঠে গেছে, মুড়ি (র্যাটুন) ফসল বাড়ছে, আর চাষিরা রাইস ডেলফাসিড পোকার সংখ্যা নজরে রাখছেন; পরভোজী পোকা এ বছর এখন পর্যন্ত তা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
শুকনো জমিতে গম বোনা পিছিয়ে যাচ্ছে, খারাপ উৎপাদন মৌসুমের পর বীজের জোগানও কম। চারণভূমিতে ঘাস বাড়া থেমে গেছে, খড়ের মজুত টান পড়ছে, পুকুর শুকাচ্ছে; কিছু গোখামারি স্বাভাবিকের কয়েক সপ্তাহ আগেই পাল ছোট করছেন ও বাড়তি খাদ্য দিচ্ছেন, গরুর শারীরিক অবস্থাও পড়তে শুরু করেছে।
ছবি: NOAA / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)