ভারতের হায়দরাবাদের সিএসআইআর-সেন্টার ফর সেলুলার অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজির (সিএসআইআর-সিসিএমবি) তৃতীয় সম্প্রসারিত ক্যাম্পাস এখন তেলেঙ্গানার ইয়াদাদ্রি ভুবনগিরি জেলার বোম্মাইপল্লি গ্রামে চালু হয়েছে। সেখানে প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানী-কৃষক সভা ও বীজ বিতরণ কর্মসূচি হয়েছে।
৫০ একরের এই ক্যাম্পাসের একাংশে চাষ হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির ভাষায় 'সুপার রাইস' জাত: এমন ধান যা রোগ ও পোকার আক্রমণ বেশি সইতে পারে এবং মাটিতে লবণাক্ততা বেশি বা ফসফরাস কম থাকলেও টিকে থাকে। জাতগুলো আইসিএআর-ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব রাইস রিসার্চের (আইসিএআর-আইআইআরআর) সঙ্গে যৌথভাবে উদ্ভাবিত।
অনুষ্ঠানে দেড় শতাধিক কৃষককে যৌথভাবে উদ্ভাবিত ধানের বীজ দেওয়া হয়। লক্ষ্য উন্নত জাত মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া এবং গবেষণার সঙ্গে কৃষকদের যোগাযোগ বাড়ানো। জেলা প্রশাসন, কৃষি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সিসিএমবির শতাধিক বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সিসিএমবির প্রধান বিজ্ঞানী হিতেন্দ্র কে. প্যাটেল জাতগুলোর বৈশিষ্ট্য ও সম্ভাব্য উপকারিতা তুলে ধরেন, বিশেষ করে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জন্য, এবং গবেষণাকে কৃষকের কাজে লাগে এমন প্রযুক্তি ও পণ্যে রূপ দেওয়ার ওপর জোর দেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এ. ভাস্কর রাও কৃষকদের বদলে যাওয়া আবহাওয়া সইতে পারে এমন জলবায়ুসহিষ্ণু, উচ্চফলনশীল ও ডায়াবেটিসবান্ধব জাত চাষের আহ্বান জানান।
সিসিএমবির পরিচালক বিনয় কে. নন্দীকুরি বলেন, ক্যাম্পাসে গবেষণা বাড়লে ভোঙ্গির ও আশপাশে নতুন সুযোগ তৈরি হবে এবং অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে তা ভূমিকা রাখবে। আয়োজকদের ভাষ্য, সভায় বিজ্ঞানীরাও সরাসরি মাঠের সমস্যার কথা শুনতে পেরেছেন। রুরাল ভয়েসের পক্ষে প্রতিবেদনটি লিখেছেন এম সোমশেখর।
ছবি: Dhananjaya.karre / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Rural Voice





মন্তব্য
(০)