বরগুনার তালতলীতে কয়েক দিন ধরে চলা তীব্র লোডশেডিংয়ে বিপাকে পড়েছেন মুরগির খামারিরা; দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় খামারে মুরগি মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ছোটবগী বাজারের রাফি পোলট্রি ফার্মে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ১৯০টি মুরগির বাচ্চা মারা গেছে বলে জানিয়েছেন খামারি রফিক মিয়া; তাঁর হিসাবে ক্ষতি প্রায় ১৩ হাজার ৩০০ টাকা।
রফিক মিয়া বলেন, রাতে বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করলেও সব মিলিয়ে প্রায় চার ঘণ্টা ছিল; বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে সদ্য আনা বাচ্চাগুলোকে প্রয়োজনীয় তাপ দেওয়া যায়নি, বিকল্প তাপেরও ব্যবস্থা ছিল না; সকালে এসে দেখেন ১৯০টি বাচ্চা মৃত।
তালতলীর উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার সিকদার বলেন, সদ্য আনা বাচ্চার জন্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখা জরুরি; অতিরিক্ত ঠান্ডা, ব্রুডিং সমস্যা, বাতাস চলাচল, পানিশূন্যতা, খাবার কমে যাওয়া বা রোগেও বাচ্চা মারা যেতে পারে—বাচ্চা পরীক্ষা করে প্রকৃত কারণ নির্ণয় হলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তালতলী সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওঅ্যান্ডএম) মো. মোতাহার উদ্দিন জানান, উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৫ থেকে সাড়ে ৫ মেগাওয়াট, বরাদ্দ মিলছে আড়াই থেকে ৩ মেগাওয়াট, তাই এলাকাভেদে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে; এই ঘাটতিতে পোলট্রি খামারিদের বাচ্চার জন্য বিকল্প তাপের ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা দরকার বলে পরামর্শ তাঁর।
কৃষি সময়ের বরগুনা সংবাদদাতার প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: কৃষি সময়




মন্তব্য
(০)