কথোপকথন মানুষের ভাব প্রকাশের প্রধান মাধ্যম, তবে অসতর্ক কথা অনেক সময় স্থায়ী ক্ষত তৈরি করে। তাই কথাবার্তায় আত্মসংযম, ভদ্রতা ও সত্যবাদিতার ওপর ইসলামে জোর দেওয়া হয়েছে।
সহিহ বুখারির একটি হাদিসে মহানবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসে বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে। মুখ থেকে বের হওয়া কথাকে ছোড়া গুলির সঙ্গে তুলনা করা হয়, যা একবার বেরিয়ে গেলে ফেরানো যায় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখার ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য বলে লেখায় বলা হয়েছে।
লিখিত বা মৌখিক, যেভাবেই বক্তব্য প্রকাশ পাক, তার দায় বক্তার নিজের। ভুল কথা বলে ফেললে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া উচিত; সুন্দর ও মার্জিতভাবে কথা বলার দক্ষতা মানুষকে সমাজে গ্রহণযোগ্য করে।
বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি শিষ্টাচার একটি মৌলিক দায়িত্ব। তাঁদের দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা থাকে; তাঁদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং নিচু স্বরে কথা বলা ভদ্রতার পরিচয়।
সূত্র: দিনাজপুর টিভি




মন্তব্য
(০)