বৈশ্বিক দক্ষিণের প্রায় ২৪ কোটি ক্ষুদ্র কৃষক পরিবারকে পুনরুৎপাদনশীল কৃষি ও কৃষিবনায়নে সহায়তা দিলে ২০৫০ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধির বাড়তি খাদ্যচাহিদা মেটানোর পাশাপাশি জমির উর্বরতাও ফেরানো সম্ভব, এমন যুক্তি দিয়েছেন উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ হিউ লক (Hugh Locke) তাঁর নতুন বই "হোল আর্থ ফার্মিং"-এ।
বইয়ের হিসাবে দুই হেক্টরের কম জমির প্রায় ৪৭ কোটি ৫০ লাখ ক্ষুদ্র খামার বিশ্বের প্রায় ৩০ শতাংশ খাদ্য উৎপাদন করে, কিন্তু প্রশিক্ষণ, অর্থায়ন, বাজার ও উপকরণের সুযোগ পায় না। হাইতির স্মলহোল্ডার ফার্মার্স অ্যালায়েন্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা লক বলেন, ক্ষুদ্র কৃষকদের প্রায়ই উন্নয়ন সহায়তার গ্রহীতা ভাবা হয়, অথচ তাঁরাই পরবর্তী কৃষি রূপান্তরের কারিগর।
২০১০ সালে হাইতির কৃষিবিদ তিমোতে জর্জেসের সঙ্গে গড়া সংগঠনটির সদস্য এখন প্রায় ১০ হাজার। লকের তথ্যে, প্রাথমিক সহায়তা পাওয়া কৃষকদের ফলন গড়ে প্রায় ৪০ শতাংশ এবং পারিবারিক আয় ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ বেড়েছে। "গাছ-মুদ্রা" ব্যবস্থায় সদস্যরা প্রশিক্ষণ, বীজ ও সেবার বিনিময়ে বছরে প্রায় ১০ লাখ গাছ লাগান।
লকের মতে, পুনরুৎপাদনশীল চর্চার বিচার হওয়া উচিত মাটি, জীববৈচিত্র্য, পানি, খাদ্য উৎপাদন ও জীবিকার মাপা ফলাফল দিয়ে; এ জন্য তিনি রিজেন১০ আউটকামস ফ্রেমওয়ার্কের কথা বলেন। তাঁর হিসাবে ৪৮ কোটি হেক্টরে এই রূপান্তর হলে মাটিতে কার্বন জমে বছরে ০.৪৮ থেকে ০.৭২ গিগাটন কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ সম্ভব।
ছবি: Kendra Helmer, USAID / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Seed World Europe





মন্তব্য
(০)