জীবনের দুঃখ, বেদনা ও দুশ্চিন্তা অনেক সময় রাতকে নির্ঘুম করে তোলে। গভীর রাতে চারপাশ নীরব হলে মনে ভিড় করে পুরোনো স্মৃতি ও কষ্ট। এমন নিঃসঙ্গ রাতে নামাজ মুমিনের জন্য পরম আশ্রয়।
সুরা বাকারার ১৫৩ নম্বর আয়াতে ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য চাওয়ার নির্দেশ দিয়ে জানানো হয়েছে, আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। হজরত হুজাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিস অনুযায়ী, কোনো বিষয় নবীজিকে (সা.) চিন্তিত করলে তিনি তখনই নামাজে দাঁড়াতেন।
নবীজি (সা.) হজরত বেলালকে (রা.) নামাজের ইকামত দিয়ে মনে প্রশান্তি এনে দিতে বলতেন। সুনানে নাসায়ির হাদিসে তিনি বলেছেন, তাঁর চোখের শীতলতা নামাজের ভেতরে রাখা হয়েছে।
লেখায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, দুশ্চিন্তায় ডুবে না থেকে গভীর রাতে অজু করে জায়নামাজে দাঁড়ালে হৃদয়ে প্রশান্তি আসে; সিজদায় হৃদয়ের আকুতি তুলে ধরার মধ্যেই ভেতরের যন্ত্রণার উপশম খোঁজে মুমিন।
ছবি: Habib M'henni / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: দিনাজপুর টিভি





মন্তব্য
(০)