সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাত দিনের বিশেষ কর্মসূচি নেওয়ার পর গত সপ্তাহে সেখানে ডেঙ্গুতে কেউ মারা যাননি, হাসপাতালে রোগী ভর্তিও কমছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। শনিবার কর্ণফুলী উপজেলায় মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা র্যালির পর পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক জানান, সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে; সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গুতে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। উপজেলাগুলোর মধ্যে সীতাকুণ্ড ও কর্ণফুলীতে সংক্রমণ বেশি ছিল। তাঁর দেওয়া তথ্যে, নগরের হাসপাতালগুলোতে গত দুই দিনে যথাক্রমে ৯২ ও ৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
র্যালি শেষে চর পাথরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় লার্ভিসাইড ও ফগার মেশিনে স্প্রে করে সপ্তাহব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক এবং উপজেলার ১০টি ডেঙ্গু হটস্পটের কার্যক্রম তদারক করেন। তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১২ সেপ্টেম্বর জেলার প্রায় দুই হাজার মসজিদ ও মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্নতার আওতায় আনা হয়েছিল।
জেলা প্রশাসক বলেন, শুধু চিকিৎসা দিয়ে ডেঙ্গু মোকাবিলা করা যাবে না, বিস্তার ঠেকাতে হবে। বাড়িঘর, দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে পানি জমতে দেওয়া যাবে না এবং ময়লা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে। আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি জানান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতালসহ উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট শয্যা রাখা হয়েছে এবং পরীক্ষার কিট সরবরাহ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি সারাবাংলার চট্টগ্রাম ব্যুরোর।
ছবি: CDC / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: সারাবাংলা





মন্তব্য
(০)