উচ্চতায় ৩ থেকে ৪ ফুট বা তারও বেশি। লম্বায় অন্তত ৫ ফুট। লম্বা কানের সঙ্গে দীর্ঘ এক ফুটের বড় শিং। গায়ের রং হালকা গোলাপি ও ধূসর সাদাটে। নাম তাদের হাসা ও হাসি। রাজধানীর শাহজাহানপুর পশুর হাটের ক্রেতা-সাধারণের কাছে এ হাসা-হাসিই এখন প্রধান আকর্ষণ।
বলছিলাম দুটি মহিষের কথা। এগুলোকে এলবি নিউ সাদা বা গোলাপি মহিষও বলা হয়। ঈদুল আজহা উপলক্ষে এ হাটে দেখার মতো মহিষ দুটি তুলেছেন শহীদবাগের ব্যবসায়ী আলম। তিনি শাহবাজপুর হালাল মিটের কর্ণধার।
মহিষ দুটির মধ্যে বড়টির ৮ দাঁত এবং ছোট মহিষটির ৫ দাঁত। ছোটটির দাম হাঁকা হচ্ছে ৫ লাখ আর বড়টি ৮ লাখ। আজিজ হোটেলের সামনের খুঁটিতে রাখা হয়েছে এগুলো। সঙ্গে আরও কয়েকটি গরুও রয়েছে।
আরও পড়ুন>>> ছোট গরুর বড় দাম
এদিকে হাটের মূল আকর্ষণে পরিণত হয়েছে পশু দুটি। স্থানীয় নারী-পুরুষের পাশাপাশি ছোটরাও আসছে এক পলক দেখার জন্য। অন্য পশু বিক্রেতারাও মহিষ দুটির দিকে একবার না চেয়ে থাকতে পারছেন না। অবস্থা এমন যে কেউ হাটে গেলে দেখছেন এ পশুগুলো, সঙ্গে দামও জিজ্ঞেস করছেন।
কথা হয় আলম ব্যাপারীর সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ছোট অবস্থায় শখের বশে ভারত থেকে মহিষ দুটি এনেছিলাম। গতবার অনেকেই চেয়েছেন, একটা ছোট থাকায় বাজারে আনা হয়নি। এবার বাজারে এনেছি। অনেকেই দেখছেন, দামও জানতে চাইছেন। তবে দরদামে মিলে গেলে ছেড়ে দেবো।
রাজধানীর দুই সিটিতে ১৯টি হাট বসছে এবার। হাটের কার্যক্রম প্রায় শতভাগ সম্পন্ন। কয়েকটি হাটের কিছু কাজ বাকি থাকলেও রাত-দিন চলছে কর্মযজ্ঞ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে শুক্রবার থেকেই বেচাকেনা পুরোদমে শুরু হবে।
অন্যদিকে পশুর হাটের বেচাবিক্রি বেঁধে দেওয়া সময় আরও একদিন বাকি থাকলেও এখনই গরু-ছাগল আসতে শুরু করেছে রাজধানীর হাটগুলোয়। অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা রোধে হাটে থাকছে সিটি করপোরেশনের মনিটরিং সেল। এদিকে রাজধানীর প্রতিটি পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তের মেশিন ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আগত ব্যাপারীদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
আরও পড়ুন>>> পশুর যেসব সমস্যা থাকলে কোরবানি হবে না
বৃহস্পতিবার (২২ জুন) রাতে শাহজাহানপুর পশুর হাটে দুই ট্রাক গরু নিয়ে এসেছেন ঝিনাইদহের মেহের আলী। তিনি বলেন, আমরা প্রতি বছরই এখানে গরু নিয়ে আসি। একটু আগে-ভাগে না এলে জায়গা পাওয়া যায় না। আমাদের আরও গরু আসবে। আগেই কিছু গরু এনেছি, বাকিগুলো শনিবার আসবে।
ইএআর/এমআইএইচএস/জেআইএম





মন্তব্য
(০)