সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৫৩%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞার আগে শিবালয়ের চরে মৌসুমি জেলেদের জাল-নৌকার প্রস্তুতি

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকার আগে মানিকগঞ্জের শিবালয়ে পদ্মা-যমুনার চরে প্রায় দেড় হাজার মৌসুমি জেলে জাল ও নৌকা প্রস্তুত করছেন, আরিচা বাজারে বিক্রি হচ্ছে কারেন্ট জাল।

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞার আগে শিবালয়ের চরে মৌসুমি জেলেদের জাল-নৌকার প্রস্তুতি
মৎস্য

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজননের জন্য আগামী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর, ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। পেশাদার জেলেরা যখন জাল গোটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন মানিকগঞ্জের শিবালয়ে পদ্মা-যমুনার চরাঞ্চলে মৌসুমি জেলেরা প্রকাশ্যে নৌকা ও জাল তৈরি করছেন, যাতে নিষেধাজ্ঞার সময়েই নদীতে নামা যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের তৎপরতা এখনো চোখে পড়ছে না।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য, ঢালা মালচি, আলোকদিয়া, চর শিবালয়, জাফরগঞ্জ, বাগুটিয়া, তেওতা ও হেমগঞ্জ বাজার এলাকায় প্রায় দেড় হাজার মৌসুমি জেলে আছেন। বছরের বাকি সময় তাঁরা অন্য পেশায় থাকেন। সপ্তাহ দুয়েক আগে থেকে তাঁরা জাল কিনছেন; অনেকে নতুন সরু ও লম্বা নৌকা বানিয়ে মোটর বসিয়েছেন, কেউ পুরোনো নৌকায় আলকাতরা লাগাচ্ছেন। নিষিদ্ধ সময়ে নদীতীরে দেদার ইলিশ বিক্রি হয়, সবচেয়ে বড় বাজার বসে আলোকদিয়ায়। গত বছর অভিযানে যাওয়া প্রশাসনের লোকজনের ওপর হামলাও হয়েছিল।

মা ইলিশ ধরার কারেন্ট জাল সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় আরিচা বাজারে, সেখান থেকে যায় চরের বাজারগুলোতে। পাঁচ-ছয়জন বিক্রেতা এ জাল বিক্রি করছেন বলে জানা গেছে; একজন বিক্রেতা নিজে জাল বিক্রির কথা অস্বীকার করলেও জানান, কারেন্ট জাল সাধারণত কেজিপ্রতি ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকায় বিক্রি হয়।

জাফরগঞ্জের পেশাদার জেলে রাম হালদার বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় তাঁরা নদীতে নামেন না, কিন্তু নদীতীরের মৌসুমি জেলেরা নতুন জাল, দড়ি ও নৌকা তৈরি করছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মৌসুমি জেলে জানিয়েছেন, অভিযানের খবর তাঁরা আগেই পেয়ে যান। উপজেলা প্রশাসন সূত্রের ভাষ্য, আটক জেলেদের ছাড়াতে প্রভাবশালীরা তদবির করেন; জরিমানা দিয়ে ছাড়া পাওয়া জেলেরাই আবার নদীতে নামেন।

উপজেলা মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর নিষেধাজ্ঞার সময় ২২টি ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ৭১টি অভিযান চালানো হয়, ৪৯টি আড়ত ও ১৩৯টি বাজার পরিদর্শন করা হয়। ২৮৭ কেজি জাটকা ও তিন লাখ ৪৫ হাজার কারেন্ট জাল জব্দ হয়, ১৪ জেলের কারাদণ্ড ও দুই লাখ ১১ হাজার টাকা জরিমানা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগী বলেন, এবার কাউকে নদীতে মা ইলিশ ধরতে দেওয়া হবে না; লোকবল কম থাকায় সমস্যা হলেও গত এক মাসে প্রায় অর্ধকোটি টাকার কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। ইউএনও মনীষা রানী কর্মকার জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও কঠোর অভিযান চালানো হবে। স্থানীয়দের মতে, আটক জেলেদের ছেড়ে না দিয়ে জব্দ নৌকা ভেঙে ফেললে নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা অনেকটাই কমবে।

ছবি: DelwarHossain / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: সমকাল

সমকালসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

আট বছরে সোনাদিয়ার প্রায় ছয় হাজার একর প্যারাবন উজাড়, হয়েছে ৫০ চিংড়ি ঘের

কক্সবাজারের মহেশখালীর প্রতিবেশ সংকটাপন্ন সোনাদিয়া দ্বীপে আট বছরে প্রায় ছয় হাজার একর প্যারাবন কেটে ৫০টি চিংড়ি ঘের করা হয়েছে; উচ্চ আদালতের উচ্ছেদ নির্দেশ এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

সমকাল৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পটিয়ার ৪৭টি প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে ২৫০ কেজি রোগমুক্ত রুইজাতীয় পোনা

রাজস্ব খাতের কর্মসূচিতে পৌরসভা ও ইউনিয়নের প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটারের রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউসের পোনা দিয়েছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর।

দৈনিক আজাদী৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কেজির ইলিশ ২,৬০০-৩,০০০ টাকা: ভারতে রপ্তানি বন্ধে সরকারকে আইনি নোটিস

দেশে এক কেজির ইলিশের দাম ২ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় ওঠায় এবং ভারত হয়ে পুনঃরপ্তানির অভিযোগ তুলে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধের দাবিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ পাঁচজনকে নোটিস পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

প্রতিদিনের সংবাদ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)