সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৫%বাতাস ১১ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৪ মিমি

প্রাকৃতিক এনার্জি বুস্টার সফেদা

শরতের শেষ থেকে শীতের শুরু — এই সময়টায় বাজারে মেলে বাদামি রঙের নরম, মিষ্টি ফল সফেদা। অনেকে একে শুধু স্বাদ ও অনন্য মিষ্টি ঘ্রাণের জন্য পছন্দ করেন, কিন্তু সফেদাকে আলাদা করে এর উচ্চমাত্রার প্রাকৃতিক শর্করা, ফাইবার এবং খনিজের অনন্য ভারসাম্য।

ফল

শরতের শেষ থেকে শীতের শুরু — এই সময়টায় বাজারে মেলে বাদামি রঙের নরম, মিষ্টি ফল সফেদা। অনেকে একে শুধু স্বাদ ও অনন্য মিষ্টি ঘ্রাণের জন্য পছন্দ করেন, কিন্তু সফেদাকে আলাদা করে এর উচ্চমাত্রার প্রাকৃতিক শর্করা, ফাইবার এবং খনিজের অনন্য ভারসাম্য।

১. প্রাকৃতিক শক্তির সেরা উৎস

সফেদাকে 'ন্যাচারাল এনার্জি বুস্টার' বলা হয় কারণ এতে থাকে গ্লুকোজ, ফ্রুকটোজ ও সুক্রোজ—তিন ধরনের প্রাকৃতিক চিনি যা শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে।

জার্নাল অব ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-এর গবেষণায় দেখা গেছে, সফেদায় থাকা এই প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ক্লান্তি দূর করে ও মস্তিষ্কে এনার্জি সরবরাহ করে।

২. হজমে সহায়তা

সফেদার দ্বিতীয় বড় গুণটি হলো এর ফাইবারের পরিমাণ। প্রতি ১০০ গ্রাম সফেদায় থাকে প্রায় ৫ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার, যা হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সায়েন্স-এর তথ্যমতে, সফেদার প্রাকৃতিক এনজাইম পাকরসের নিঃসরণ বাড়ায়, ফলে খাবার সহজে হজম হয় এবং গ্যাস ও অ্যাসিডিটি কমে।

৩. হৃদযন্ত্রের যত্নে পটাসিয়াম ও আয়রন

সফেদার বিশেষত্ব হলো এতে একসঙ্গে থাকে পটাসিয়াম ও আয়রন, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ও রক্ত সঞ্চালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন-এর গবেষণায় বলা হয়, সফেদার মতো পটাসিয়ামসমৃদ্ধ ফল নিয়মিত খেলে রক্তচাপ স্থিতিশীল থাকে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

৪. মানসিক প্রশান্তি ও ঘুমের উন্নতি

অন্যান্য ফলের তুলনায় সফেদায় আছে এমন কিছু প্রাকৃতিক যৌগ যা মস্তিষ্কে সেরোটোনিন উৎপাদন বাড়ায়। এটি স্নায়ু শান্ত রাখতে সাহায্য করে, সুখের অনুভূতি তৈরি করে এবং মানসিক প্রশান্তি আনে।

জার্নাল অব নিউরোসাইকোলজিকাল হেলথ-এর গবেষণায় দেখা গেছে, সফেদায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম উদ্বেগ কমিয়ে ঘুমের মান উন্নত করে।

৫. ত্বক ও চুলের যত্নে অনন্য প্রভাব

সফেদায় ভিটামিন এ, সি ও ই–এর সমন্বয় ত্বকের পুনর্গঠনে কাজ করে। এটি কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বককে টানটান ও উজ্জ্বল রাখে।জার্নাল অব ডার্মাটোলজিকাল রিসার্চ বলছে, সফেদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষা দেয় এবং চুলের গোড়া মজবুত করে।

তবে যেহেতু সফেদা প্রাকৃতিক চিনি সমৃদ্ধ ফল, তাই ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে পরিমিত খাওয়া জরুরি। বেশি পাকলে এতে চিনি মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়, যা রক্তে গ্লুকোজের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। সকালে বা দুপুরে এটি খাওয়া সবচেয়ে উপকারী, কারণ তখন শরীর শক্তি সবচেয়ে ভালোভাবে শোষণ করতে পারে।

সূত্র: জার্নাল অব ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সায়েন্স, আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন, জার্নাল অব নিউরোসাইকোলজিকাল হেলথ, জার্নাল অব ডার্মাটোলজিকাল রিসার্চ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()