খরায় বড় নদীগুলোতে পানি রেকর্ড পরিমাণ কমে যাওয়ায় নৌপরিবহন ব্যাহত হচ্ছে, বজরার বহনক্ষমতা কমছে এবং পরিবহন খরচ বাড়ছে বলে সতর্ক করেছে ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট ফোরাম (আইটিএফ)। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাইন, দানিউব, লোয়ার ও পো নদীতে পানি রেকর্ড নিচে নেমেছে।
২০২৬ সালের আগস্টে রটারড্যাম ও অ্যান্টওয়ার্প থেকে মধ্য রাইন দিয়ে চলা বজরা চরে আটকে যাওয়া এড়াতে স্বাভাবিকের মাত্র ১৫ শতাংশ মাল নিতে পেরেছে, দানিউবে প্রায় ৩০ শতাংশ। কম বোঝা মানে একই মাল নিতে বেশি যাত্রা ও বেশি নৌযান, আর সীমিত নৌযানের জন্য প্রতিযোগিতায় ভাড়া হঠাৎ বেড়ে যায়।
বেলজিয়াম, চীন, নেদারল্যান্ডস ও রোমানিয়ায় পণ্য পরিবহনের ১৫ থেকে ৪৫ শতাংশ হয় নৌপথে; রাইন দিয়ে জ্বালানি, রাসায়নিক ও শস্য যায়, আর যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য রপ্তানির ৯২ শতাংশ যায় নদীপথে। ২০১৮ সালে রাইনে কম পানির সঙ্গে জার্মানির জিডিপি ০.৪ শতাংশ কমার সম্পর্ক পাওয়া গিয়েছিল। জলবায়ু পরিবর্তনের উচ্চ ঝুঁকির পরিস্থিতিতে ২০৫০ সালের মধ্যে রাইনের গ্রীষ্মকালীন গড় প্রবাহ ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।
ছবি: Federal Waterways Engineering and Research Institute / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: ডাউন টু আর্থ





মন্তব্য
(০)