ব্যস্ত জীবন, উপার্জনের প্রতিযোগিতা আর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের চাপে মানসিক চাপ ও হতাশা এখন অনেকের নিত্যসঙ্গী। এ সময় একজন মুসলিমের করণীয় কী, তা কোরআন ও সুন্নাহ থেকে তুলে ধরেছেন দেশ রূপান্তরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এক শিক্ষার্থী। লেখকের মতে, প্রথম কাজ কোরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ।
প্রথম শিক্ষা জিকির। লেখক সুরা রাদের ২৮ নম্বর আয়াত উদ্ধৃত করেছেন: ‘জেনে রাখো, আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।’ তাঁর ভাষায়, জিকির অন্তরে প্রশান্তি আনে আর চাপ লাঘব করে।
দ্বিতীয় নামাজ। মানসিক চাপ মানুষকে নিঃসঙ্গ করে, আর নামাজ মনকে হালকা করে বলে লেখকের মত। তিনি সুরা বাকারার ১৫৩ নম্বর আয়াত স্মরণ করিয়েছেন: ‘হে মুমিনরা! তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে তাহাজ্জুদকে আত্মিক শক্তি আর প্রশান্তির অন্যতম মাধ্যম বলেছেন তিনি।
তৃতীয় ইস্তেগফার। সহিহ বুখারির বর্ণনা অনুযায়ী রাসুল (সা.) প্রতিদিন সত্তর বারের বেশি ইস্তেগফার পড়তেন। সুনানে আবু দাউদের হাদিসে আছে, যে নিয়মিত ইস্তেগফার পড়ে, আল্লাহ তাকে সব সংকট থেকে মুক্তি, সব দুশ্চিন্তা থেকে প্রশান্তি এবং ধারণাতীত উৎস থেকে রিজিক দেন।
চতুর্থ মাসনুন দোয়া। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত যে দোয়া রাসুল (সা.) বেশি বেশি পড়তেন, লেখক তার অর্থ তুলে ধরেছেন: হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার আর মানুষের দমন-পীড়ন থেকে।
লেখাটি দেশ রূপান্তরে প্রকাশিত; এখানে লেখকের বক্তব্য তাঁর নিজের।
ছবি: Ehsanul Siddiq Aranya / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: দেশ রূপান্তর



মন্তব্য
(০)