অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ সুরক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ (ইপিবিসি) আইনে গত বছরের শেষে আনা পরিবর্তন জমি পরিষ্কারে নিষেধাজ্ঞা নয় বলে কুইন্সল্যান্ডের খামারিদের তথ্য দিবসে জানিয়েছেন জাতীয় পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার (ইপিএ) কর্মকর্তারা। অন্যদিকে খামারিদের সংগঠন অ্যাগফোর্স বলছে, এই সংস্কারে জমির মালিকদের ঘাড়ে অতিরিক্ত আইনি ঝুঁকি চাপছে। খবরটি দিয়েছে বিফ সেন্ট্রাল।
মিলমেরানে অ্যাগফোর্সের এক কর্মশালায় ইপিএর কর্মকর্তা কর্ম্যাক ফ্যারেল বলেন, পরিকল্পিত কোনো কাজ জাতীয়ভাবে সুরক্ষিত প্রজাতি, বাস্তুসংস্থান বা জলাভূমির ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে কি না, তা আগে যাচাই করতে বলা হচ্ছে; এমন প্রভাবের সম্ভাবনা থাকলেই আনুষ্ঠানিক মূল্যায়নে পাঠাতে হবে। ইপিএর ধারণা, বেশির ভাগ মানুষের তা লাগবে না।
২০২৫ সালের সংস্কারে প্রচলিত ব্যবহারের ছাড় দুইভাবে সংকুচিত হয়েছে: গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের অববাহিকায় নদী, জলাভূমি বা নালার ৫০ মিটারের মধ্যে গাছপালা পরিষ্কারে এ ছাড় মিলবে না, আর দেশজুড়ে অন্তত ১৫ বছর পরিষ্কার বা ব্যবস্থাপনা হয়নি এমন জমিতেও নয়। তবে ফ্যারেল জোর দিয়ে বলেন, ছাড় না থাকা মানে কাজ নিষিদ্ধ নয়; আগস্টে প্রকাশিত ইপিএর নির্দেশিকায় প্রতিষ্ঠিত চারণ ও চাষ, বেড়া ও অগ্নিরোধী পথ রক্ষণাবেক্ষণ, ঘোষিত আগাছা দমন ও ক্ষয় মেরামতকে কম ঝুঁকির সবুজ তালিকায় রাখা হয়েছে; এসব কাজের অবস্থানসহ ছবি রেখে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অ্যাগফোর্স এই নির্দেশিকা সমর্থন করে না এবং আইন পরিবর্তন বা মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চায়। সংগঠনটির শিল্প উন্নয়ন প্রধান জোসেফিন পেটারসন জানান, স্বাভাবিক প্রভাব মূল্যায়ন ছাড়াই দুই সপ্তাহে সংস্কারটি পাস হয়েছে, রিফ অববাহিকা কুইন্সল্যান্ডের ৪ লাখ ২৪ হাজার বর্গকিলোমিটার জুড়ে, আর প্রতিটি নিয়মিত সিদ্ধান্তে 'বড় প্রভাব' পরীক্ষার স্ব-মূল্যায়ন খামারিদের জন্য খুবই জটিল। তাঁর ভাষায়, আইন নিয়ে শিল্পে এখনো অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে।
ছবি: CSIRO / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: Beef Central





মন্তব্য
(০)