সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ১৪ কিমি/ঘ

প্রতিদিন ৬ কোটি টাকার আম বিক্রি হয় যে বাজারে

বেলতলা দেশের অন্যতম বড় আমের বাজার। এ বাজারে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ হাজার মণ আম বিক্রি হয়। টাকার অংকে সেটা ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে চলে আম বেচাকেনা।

ফল

বেলতলা দেশের অন্যতম বড় আমের বাজার। এ বাজারে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ হাজার মণ আম বিক্রি হয়। টাকার অংকে সেটা ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে চলে আম বেচাকেনা।

যশোরের শার্শার বাগুড়ির এ বাজারে রয়েছে ৮৬টি আমের আড়ৎ। উপজেলার ১১ ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকা থেকে চাষিরা এ বাজারে আম নিয়ে আসেন। সকাল থেকে পাইকাররা ছুটে আসেনে এখানে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে ওঠে পুরো বাজার।

সরেজমিনে বেলতলা বাজারে দেখা গেছে, সাতক্ষীরা-নাভারণ সড়কের দুই পাশে বসে বৃহৎ এ আমের বাজার। ব্যস্ততম সড়কে নানা ধরনের পরিবহন চলাচল করে। বাজারটি রাস্তার ওপর হওয়ায় ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে বলে ব্যবসায়ীরা জানায়।

একাধিক ব্যবসায়ী জানান বাজারটি যদি কোনো একটি মাঠে বসানো যেতো তাহলে নিরাপদে চাষিরা আম বিক্রি করতে পারতেন। সেই সঙ্গে ব্যবসায়ীরাও ধীরে আম গুছিয়ে কার্টনে করে পরিবহন করতে পারতেন। রাস্তার ওপর প্রতিদিন শত শত ভ্যান, করিমন-নসিমনসহ নানা ধরনের ইঞ্জিনচালিত পরিবহন দাঁড় করিয়ে আম নামাতে হয়। তাতে যানজটের ও সৃষ্টি হয়।

তারা জানান, বাজারে গোপালভোগ, ক্ষীরশাপাতি, গোবিন্দভোগ, ল্যাংড়া, হিমসাগর, গোপাল খাস, বৈশাখী আম্রপালিসহ নানা জাতের আম বাজারে উঠে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পাইকাররা এসব আম কিনে করে নিয়ে যান। এছাড়া এ আম দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হয়।

বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রচার সম্পাদক মন্টু মিয়া বলেন, 'এখানে ফরমালিনমুক্ত আম বিক্রি হয়। কোনো ধরনের চাপ ছাড়া ব্যবসায়ীরা এখানে ব্যবসা করছে। আড়তদাররা শতকরা ৩ টাকা কমিশনে আড়তদারি নিয়ে থাকেন। বাজারের চাষিরা আম বিক্রি করে নগদ টাকা নিয়ে ঘরে ফিরেন। যাতায়াত ব্যবস্থাও ভাল থাকায় দেশের প্রায় প্রতিটি জেলার ব্যবসায়ীরা এখান থেকে আম কিনে নিয়ে যান। চাষিদের এখানে শতকরা মাত্র ৫ টাকা খাজনা দিতে হয়।'

কমিটির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, '৬ মে থেকে আম কেনাবেচা শুরু হয়েছে। এখন গোপালভোগ, ক্ষীরশাপাতি, গোবিন্দভোগ, হিমসাগর, গোপালখাস বিক্রি হচ্ছে। ২১ মে থেকে হিমসাগর বাজারে আসবে। আর ২৮ মে থেকে ল্যাংড়া ও ৬ জুন থেকে আম্রপালি ও মল্লিকা বাজারে আসবে।'

বাজার কমিটির সভাপতি মাহমুদ হোসেন বলেন, 'বাজারে তিন ধরনের আড়ৎ রয়েছে। 'এ' গ্রেড, 'বি' গ্রেড ও 'সি' গ্রেড। 'এ' গ্রেডের একজন আড়তদার প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার আম, 'বি' গ্রেডের একজন আড়তদার প্রতিদিন ৬ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং 'সি' গ্রেড একজন আড়তদার প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার আম বিক্রি করে থাকেন।'

এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী নাজিব হাসান জাগো নিউজকে বলেন, 'শার্শার বেলতলা দেশের দক্ষিণ পাশ্চিমাঞ্চলের একটি বড় আম বাজার। এ বাজার থেকে দেশের সিংহ ভাগ জেলার আমের চাহিদা মেটায়। এছাড়া এখান থেকে আম বিদেশেও রপ্তানি করা হয়।'

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

কেরানীগঞ্জে উচ্চমূল্যের ফল চাষে দুই তরুণের সাফল্য

গতানুগতিক শিল্পের গণ্ডি পেরিয়ে কৃষিতে নতুন ভবিষ্যৎ খুঁজছেন শিক্ষিত তরুণরা। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে উচ্চমূল্যের অপ্রচলিত ফলের আধুনিক চাষাবাদ শুরু করেছেন দুই তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা। শাম্মাম, রকমেলন ও ব্ল্যাক বেবি তরমুজ চাষে প্রথমবারেই এসেছে বড় সাফল্য।

শাইখ সিরাজ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
এগ্রোটেক

চাষিকে তথ্য-বিশ্লেষক হতে হবে না, বলছেন Orchard Robotics-এর Charlie Wu

Orchard Robotics-এর প্রতিষ্ঠাতা Charlie Wu বলছেন, ট্রাক্টরে বসানো তাঁদের এআই ক্যামেরা গাছ ধরে ধরে ফল গোনে ও মাপে, শ্রম ও উপকরণ সাশ্রয়ে প্রথম বছরেই তিন থেকে দশ গুণ ফেরত দেয়; আপেল থেকে কোম্পানিটি এখন আরও এক ডজন ফসলে যাচ্ছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()