সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৭ মিমি

প্রকৃতি ও প্রাণিজগতের সঙ্গে একদিন

ঈদের ছুটির পর আপনি যদি শহরের বাইরে না যেতে পারেন, তবুও মনকে একদিনের জন্য প্রকৃতি ও প্রাণিজগতের সান্নিধ্যে ছুটি দিতে পারেন। ঢাকার ভেতরেই পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানা ও জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান (বোটানিক্যাল গার্ডেন) ঘুরতে পারেন।

পরিবেশ

ঈদের ছুটির পর আপনি যদি শহরের বাইরে না যেতে পারেন, তবুও মনকে একদিনের জন্য প্রকৃতি ও প্রাণিজগতের সান্নিধ্যে ছুটি দিতে পারেন। ঢাকার ভেতরেই পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানা ও জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান (বোটানিক্যাল গার্ডেন) ঘুরতে পারেন।

শহরের কোলাহল থেকে কিছুটা দূরে, সবুজের ছায়ায় ঘেরা এ দুটি স্থান ঈদের ছুটিকে আরও আনন্দময়, শিক্ষণীয় ও উপভোগ্য করে তুলতে পারে।

জাতীয় চিড়িয়াখানাজাতীয় চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে ছায়াঘেরা পথ, নানা জাতের পাখির ডাক আর শিশুদের উচ্ছ্বাস। প্রায় ১৮৬ একর জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা চিড়িয়াখানায় রয়েছে দেশি-বিদেশি প্রায় ১৩০ প্রজাতির দুই হাজারের বেশি প্রাণী। রয়েল বেঙ্গল টাইগার, আফ্রিকান সিংহ, জিরাফ, কুমির, ভালুক, হরিণ, অজগর, কচ্ছপ থেকে শুরু করে রঙিন বিদেশি পাখি—সবই যেন এক ছাদের নিচে।

শিশুদের জন্য রয়েছে আলাদা খেলার স্থান, জলাশয়ে নৌকা বিহারের ব্যবস্থা এবং শিক্ষণীয় তথ্যসহ প্রতিটি খাঁচার পাশে পরিচিতি ফলক। এখানে প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থী আসেন প্রকৃতি ও প্রাণিজগতের সঙ্গে একদিন কাটাতে। ঈদের সময় দর্শনার্থীদের জন্য থাকে বাড়তি আয়োজন ও আনন্দঘন পরিবেশ। এখানে প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা।

জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানচিড়িয়াখানার পাশেই অবস্থিত জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান—যেটিকে অনেকে 'ঢাকার ফুসফুস' বলেও আখ্যা দেন। প্রায় ২০৫ একর বিস্তৃত এই বোটানিক্যাল গার্ডেন একদিকে যেমন সৌন্দর্যের আধার; অন্যদিকে তেমনই পরিবেশ-সচেতনতার এক জীবন্ত পাঠশালা। এখানে রয়েছে প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির বৃক্ষ, লতাগুল্ম, ওষুধি গাছ ও ফুলের সমারোহ।

ঘন সবুজ ছায়াঘেরা পথ ধরে হাঁটলে চোখে পড়বে বিরল প্রজাতির গাছগাছালি, পাখির কিচিরমিচির, বাতাসে দোল খাওয়া গাছের ডালপালা আর হালকা রোদ। যারা প্রকৃতি ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি যেন একখণ্ড নিসর্গ। এখানকার প্রবেশমূল্য মাত্র ২০ টাকা।

তবে এই দুই স্থানই শিশুদের ঘোরার জন্য বেশি উপযোগী। তারা অনেক কিছু জানবে, শিখবে আর ঢাকার কোলাহল থেকে নিজেকে কিছুটা সতেজ রাখতে পারবে।

যেভাবে যাবেনজাতীয় চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেনই ঢাকার মিরপুর ১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড থেকে খুব সহজে যাওয়া যায়। বাস, সিএনজি বা রিকশায় যে কোনো সময় পৌঁছে যাওয়া সম্ভব।

খাবার ও বিশ্রামের জন্য রয়েছে নানা ধরনের দোকান, রেস্টুরেন্ট এবং বসার জায়গা। চাইলে বাসায় রান্না করা খাবারও সঙ্গে নিয়ে পরিবারসহ উপভোগ করতে পারেন।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()