জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শূকরের মাংস রপ্তানি এক বছর আগের চেয়ে ৬ শতাংশ কমে ২,২৪,৩০৫ মেট্রিক টন হয়েছে, মূল্যও ৬ শতাংশ কমে ৬৪ কোটি ১৮ লাখ ডলার—ইউএস মিট এক্সপোর্ট ফেডারেশনের (ইউএসএমইএফ) সংকলিত ইউএসডিএর তথ্যের বরাতে জানিয়েছে ফার্ম প্রোগ্রেস। তবে বছরের প্রথম সাত মাসে রপ্তানি ২০২৫-এর চেয়ে ২ শতাংশ বেশি, ১৭ লাখ ৩০ হাজার টন, মূল্য ৪৮৬ কোটি ডলার—১ শতাংশ বেশি।
জুলাইয়ে জাপান, মধ্য আমেরিকা, কলম্বিয়া ও কানাডায় চালান বেড়েছে; কমেছে মেক্সিকো, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, ওশেনিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। জবাই করা প্রতি শূকরে রপ্তানি-মূল্য ৬২.৫৩ ডলার—এক বছর আগের চেয়ে কম, কিন্তু জুনের চেয়ে ৩ ডলার বেশি; বছরের হিসাবে মাথাপিছু ৬৬ ডলারের সামান্য ওপরে, গত বছরের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে।
মাসটির ধাক্কার উৎস সিউডোরেবিস ভাইরাস (পিআরভি)। এপ্রিলের শেষে নিয়মিত পরীক্ষায় আইওয়ার একটি ছোট বাণিজ্যিক শূকর খামারে পিআরভির অ্যান্টিবডি মেলে; ইউএসডিএর অ্যানিমেল অ্যান্ড প্ল্যান্ট হেলথ ইনস্পেকশন সার্ভিস আক্রান্ত পাঁচটি বরাহের উৎস খুঁজে পায় টেক্সাসের একটি খোলা খামারে। মেক্সিকো, কলম্বিয়া, চিলি ও দক্ষিণ কোরিয়া মার্কিন শূকরের মাংসে, মূলত অফালে, বিধিনিষেধ দেয়; জুলাইয়ের শেষ নাগাদ সব নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে।
ইউএসএমইএফের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী ড্যান হালস্ট্রম (Dan Halstrom) বলেন, অফালে পিআরভি-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ পেছনে ফেলা মার্কিন শিল্পের জন্য ছিল একান্ত জরুরি। মেক্সিকোয় রপ্তানি জুলাইয়ে ঘুরে দাঁড়ালেও এক বছর আগের নিচে থেকেছে, কারণ মাসের মাঝামাঝি নিষেধাজ্ঞা ওঠার পর উৎপাদন ও চালান শুরু হতে সময় লেগেছে; চীনে মার্কিন অফালের বাড়তি পরিদর্শনে ছাড়পত্রে দেরি হয়েছিল, সে বাধাও সম্প্রতি সরেছে।
কানাডায়, যেখানে চাহিদা ২০২৬-এ ফিরে এসেছে, জুলাইয়ে গেছে ১৪,৪১১ টন—এক বছর আগের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি, মূল্য ৫ কোটি ৭৫ লাখ ডলার; সাত মাসে উত্তরে রপ্তানি পরিমাণে ৮ শতাংশ বেশি (১,০৫,৭১১ টন) ও মূল্যে ৫ শতাংশ বেশি (৪২ কোটি ২৫ লাখ ডলার)। বাণিজ্য-উত্তেজনা এখনো ব্যবসায় চাপ দিচ্ছে, তবে ফেডারেশন বলছে বছরের সংখ্যাগুলো জুলাইয়ের পতনকে প্রেক্ষাপটে রাখে।
সূত্র: Farm Progress





মন্তব্য
(০)