পিরোজপুরে জেলা কার্যালয়সহ সাতটি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে অনুমোদিত ৮৭টি পদের বিপরীতে কাজ করছেন মাত্র ২৫ জন। ফলে বিপুল গবাদিপশু ও পোলট্রি খামারের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে দপ্তরগুলো।
প্রাণিসম্পদ বিভাগের হিসাবে জেলায় ৭৪২টি গাভির খামার, ২১৬টি গরু মোটাতাজাকরণ খামার, ৩৩২টি ছাগলের ও ২৭টি মহিষের খামার আছে। লেয়ার মুরগির খামার ৯৯১টি, ব্রয়লার ৩১২টি, সোনালি ১৭২টি, হাঁসের ১৩৪টি এবং কবুতরের ৩৬টি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জেলায় দুধ উৎপাদন হয়েছে ১ দশমিক ৬১ লাখ মেট্রিক টন, মাংস ১ দশমিক ২৫ লাখ মেট্রিক টন এবং ডিম ১৬ দশমিক ৮৭ লাখ।
জেলা কার্যালয়ে সাতটি পদ শূন্য, চলছে তিনজন দিয়ে। সদর উপজেলায় ১১ পদে আছেন দুজন, জিয়ানগরে আটটি পদই শূন্য থাকায় তিনজন দিয়ে কাজ চলছে। নাজিরপুরে প্রায় পাঁচটি, মঠবাড়িয়ায় আটটি, ভান্ডারিয়ায় ১১টির প্রায় নয়টি, কাউখালীতে আটটি এবং নেছারাবাদে আটটি পদ শূন্য।
সদরের খামারি মো. জুলফিকার খানের ২০-২৫টি গরু আছে। তিনি বলেন, পশু অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসা দরকার, কিন্তু অনেক সময় হাসপাতালে চিকিৎসক বা লোক পাওয়া যায় না; তখন বেসরকারি চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়, খরচ বাড়ে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহা. নুর আলম বলেন, অর্ধেকের কম জনবলে বড় উপজেলায় সেবা দেওয়া কঠিন; টিকাদান, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠকে এর প্রভাব পড়ছে, তবে ওষুধের সংকট নেই।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তরুণ কুমার সিকদার বলেন, জেলা ও সাত উপজেলায় ব্যাপক জনবল সংকটে কার্যক্রম কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে; সংকট কাটলে সেবার মান বাড়বে।
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪



মন্তব্য
(০)