জানুয়ারি থেকে জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্যারাগুয়ের গরুর মাংসের আমদানি পৌঁছেছে ৩০ হাজার টনে—এক বছর আগের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেশি, মার্কিন কৃষি বিভাগের Foreign Agricultural Service (ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস)-এর হিসাবে। এর বেশির ভাগ হিমায়িত চর্বিহীন মাংস, যা মূলত কিমা (গ্রাউন্ড বিফ) তৈরিতে যায়।
প্যারাগুয়ের প্রত্যাশা, ২০২৭ সালে পরিমাণের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র হবে চিলি ও ইসরায়েলের পর তাদের তৃতীয় বৃহত্তম মাংসের বাজার। রপ্তানিকারকদের হিসাবে, ২০২৬ সালে বিদ্যমান শুল্ক-হার কোটার আওতায় ৮ থেকে ১০ হাজার টন যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেছে, আর চর্বিহীন মাংসের ছাঁটের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক শুল্কমুক্ত কোটায় আরও সুযোগ দেখছেন তাঁরা—সেখানে ৫ থেকে ১০ হাজার টন দিতে পারেন, যদিও ওই পরিমাণের বেশির ভাগ ব্রাজিলের দখলে যাবে বলে ধারণা।
উৎপাদন বাড়তে থাকা আর অভ্যন্তরীণ ভোগ সামান্য বাড়ায় ২০২৭ সালে প্যারাগুয়ের গরুর মাংস রপ্তানির পূর্বাভাস ৪ লাখ ৬০ হাজার টন (কারকাস-ওজন সমতুল্য)।
মার্কিন ক্রেতাদের জন্য দেশীয় গরুর জোগানে টান থাকা অবস্থায় প্যারাগুয়ে প্রক্রিয়াজাতকরণের চর্বিহীন মাংসের আরেকটি উৎস; মার্কিন উৎপাদকদের জন্য বাড়তে থাকা চালান মানে চর্বিহীন মাংসের বাজারে বাড়তি প্রতিযোগিতা—যদিও তাতে কিমার জোগান পূর্ণ থাকে।
সূত্র: All Ag News


মন্তব্য
(০)