সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৬%বাতাস কিমি/ঘ

অসহনীয় গরমে বেড়েছে তালশাঁস বিক্রি

যশোরের শার্শা ও বেনাপোল বাজারে রাস্তার মোড়ে মোড়ে তালশাঁস বিক্রির ধুম পড়েছে। তীব্র গরমে তালের শাঁসে থাকা জলীয় অংশ শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করছে বলে জানান ক্রেতারা।

ফল

যশোরের শার্শা ও বেনাপোল বাজারে রাস্তার মোড়ে মোড়ে তালশাঁস বিক্রির ধুম পড়েছে। তীব্র গরমে তালের শাঁসে থাকা জলীয় অংশ শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করছে বলে জানান ক্রেতারা।

শার্শা ও বেনাপোলের বিভিন্ন এলাকায় তালশাঁস বিক্রি করতে দেখা গেছে। অনেকে ভ্যানে করে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করছেন তালশাঁস। আবার অনেকে প্রখর রোদে রাস্তার পাশে ছাতা টাঙিয়ে বিক্রি করছেন। দিনে রোদের তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তালশাঁসের চাহিদা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। গ্রীষ্মের অসহনীয় গরমে অস্থির পথচারীদের এক মুহূর্তের জন্য হলেও স্বস্তি এনে দিচ্ছে কচি তালশাঁস। আবার অনেকেই বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন রসালো এ ফল।

তালশাঁস বিক্রেতা মো. আজিজ বলেন, 'প্রতিটি গাছ সিজন চুক্তিতে আমরা এক থেকে দেড় হাজার টাকায় কিনে থাকি। তবে ফল বেশি হলে এক গাছ দুই থেকে তিন হাজার টাকাতেও কিনতে হয়। তালের ফলন ভালো হলে প্রতিগাছে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা লাভ হয়। তালশাঁস এখন থেকে বিক্রি শুরু করেছি, চলবে শাঁস শক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত।'

তিনি বলেন, 'বর্তমানে শাঁসের চাহিদা বেশি। প্রতিপিস তালশাঁসের কোয়া পাঁচ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। তবে কেউ একসঙ্গে অনেকগুলো নিলে একটু ছাড় পাচ্ছেন। একটি তালের (তিন কোয়া) দাম নেওয়া হচ্ছে ১০-১২ টাকা পর্যন্ত।'

তালশাঁস কিনতে আসা আব্দুর রউফ বলেন, 'বছরের প্রথম তালশাঁস খেলাম। তবে আর কিছুদিন পর এর চেয়েও ভালোমানের তালশাঁস পাওয়া যাবে। এটি আমার অত্যন্ত প্রিয় ফল।'

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহফুজা খাতুন বলেন, 'সুস্বাদু তালশাঁস একটি ভিটামিন ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ফল। তালের শাঁসে থাকা জলীয় অংশ শরীরে পানিশূন্যতা দূর করে। ফলটিতে রয়েছে ভিটামিন সি ও বি কমপ্লেক্স, যা শরীরের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তিকে প্রখর করতে সাহায্য করে।'

তালশাঁসের উপকারিতা প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অনেক সময় অ্যাসিডিটির ফলে বমিভাব হয় এবং খাবার বিস্বাদ লাগে। কচি তালের শাঁস এই বমিভাব দূর করতে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে খাবারে অরুচিভাব দূর করে। লিভারের সমস্যা দূর হয়। কারও অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা থেকে থাকলে তা দূর করতে কচি তালশাঁসের বিকল্প নেই। ত্বককে সুন্দর, উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় করে তুলতেও ভূমিকা রাখে তালের শাঁস।

জামাল হোসেন/এসআর/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()