সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭৯%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

পদ্মা-মধুমতির পানি বাড়তেই ফরিদপুরের পাঁচ উপজেলায় তীব্র ভাঙন, গেছে ৩০ একর ফসলি জমি

আলফাডাঙ্গা, সদর, সদরপুর, চরভদ্রাসন ও ভাঙ্গায় বসতভিটা, খেত, স্কুল-মাদ্রাসা নদীর মুখে; পাউবো দুই দিনে জিও ব্যাগ ফেলার কথা বললেও বাসিন্দারা চাইছেন স্থায়ী বাঁধ।

পদ্মা ও মধুমতির পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফরিদপুরের পাঁচটি উপজেলায় নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। তীব্র স্রোতে একের পর এক বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, ফসলি জমি, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা; ভিটেমাটি হারিয়ে অনিশ্চয়তায় নদীপাড়ের হাজারো মানুষ।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আলফাডাঙ্গা উপজেলা। মধুমতির অব্যাহত ভাঙনে টগরবন্দ, গোপালপুর, বুড়াইচ, বানা ও পাচুড়িয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম ঝুঁকিতে; স্থানীয়দের হিসাবে চলতি মৌসুমে প্রায় ৩০ একর ফসলি জমি ও বহু বসতভিটা নদীতে গেছে। চাপুলিয়া আশ্রয়ণ কেন্দ্রের কয়েকটি ঘর তলিয়ে যাওয়ায় বেশ কিছু পরিবার গৃহহীন হয়ে পলিথিন টাঙিয়ে থাকছে। ভাঙন চললে চরখোলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আল-হেরা দাখিল মাদ্রাসা, মোকছেদ মোল্লা এতিমখানা মাদ্রাসা, মসজিদ, ঈদগাহ, কবরস্থান ও একটি পোস্ট অফিসও নদীতে যাওয়ার আশঙ্কা।

পদ্মার ভাঙনে সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ও ডিক্রীরচর ইউনিয়নের তীরবর্তী এলাকায় আতঙ্ক; অনেকে ঘর নদীতে যাওয়ার আগেই টিনের চাল, খুঁটি ও দেয়ালের ইট খুলে নিরাপদ জায়গায় সরাচ্ছেন। সদরপুর ও চরভদ্রাসনের ঢেউখালি, চর নাসিরপুর, গাজীরটেক ও চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নে প্রতিদিনই নতুন জায়গা ভাঙছে; ভাঙ্গায় আড়িয়াল খাঁ ও তার শাখা নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চলের কৃষিজমি ও বসতভিটা দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে।

বাসিন্দারা বলছেন, বসতভিটার পাশাপাশি ফসলি জমি নদীতে যাওয়ায় জীবিকাও অনিশ্চিত; হঠাৎ ভাঙনে অনেকে মালামাল সরানোর সুযোগও পাচ্ছেন না। তাদের অভিযোগ, প্রতি বর্ষায় ভাঙন তীব্র হলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেই, বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িক চেষ্টা দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন বলেন, আগামী দুই দিনের মধ্যে ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ শুরু হবে; নদীতীর সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের একটি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় আছে, যা বাস্তবায়িত হলে ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলো স্থায়ী সুরক্ষায় আসবে।

স্থানীয়দের দাবি, জরুরি প্রতিরোধের পাশাপাশি স্থায়ী বাঁধের কাজও দ্রুত শুরু করতে হবে; না হলে পদ্মা-মধুমতির আগ্রাসনে আরও বহু গ্রাম, কৃষিজমি ও বসতভিটা চিরতরে হারিয়ে যাবে। পানি বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

সূত্র: বাংলানিউজ২৪

বাংলা নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বরফের রাজ্য গরম হচ্ছে দ্রুত, হিমবাহ হ্রদের বন্যায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ভারতে

কপ৩১-এর আগে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদন বলছে, ১.৫ ডিগ্রির সীমা সাময়িক পেরোলেও বরফের ক্ষতি স্থায়ী হবে; জাতিসংঘের নেতৃত্বে আরেক গবেষণা বলছে, ১৮৩৫ সাল থেকে হিমবাহ হ্রদের বন্যায় ভারতে মারা গেছেন ৬ হাজার ১১৯ জন।

ডাউন টু আর্থ২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

কপ৩১-এ ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ

তুরস্কের আনতালিয়ায় কপ৩১-এর ১১-১২ নভেম্বরের ওয়ার্ল্ড লিডার্স সামিটে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান; বাংলাদেশ সেখানে অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন ও বড় নির্গমনকারী দেশগুলোর জবাবদিহি দাবি করবে।

বাসস২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সিংড়ার লাড়কিবাড়ী বিলে বিষ, সামাজিক মাছ চাষে চার লাখ টাকার ক্ষতি

নাটোরের সিংড়ায় চার দশক ধরে সামাজিকভাবে মাছ চাষ হওয়া লাড়কিবাড়ী বিলে রাতে কীটনাশক দেওয়ায় প্রায় চার লাখ টাকার মাছ মরেছে; বিলের দখল নিয়ে বিরোধকে দায়ী করছেন চাষিরা।

সমকাল২ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)