সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস ১০ কিমি/ঘ

১২ হাজার টন কমলার খোসায় ১৬ বছরে সবুজ হলো কোস্টারিকার অনুর্বর জমি

জুস কারখানার বর্জ্য ফেলা তিন হেক্টরে গাছের বায়োমাস বেড়েছে ১৭৬ শতাংশ, মাটি হয়েছে বেশি পুষ্টিসমৃদ্ধ; প্রিন্সটনের গবেষণা বলছে, কৃষি ও খাদ্যশিল্পের বর্জ্যে বন ফেরানো সম্ভব।

ঘাস আর পাথর ছাড়া প্রায় কিছুই ছিল না জায়গাটিতে। সেখানেই ১২ হাজার টন কমলার খোসা ও পাল্প ফেলে রেখেছিল একটি জুস কারখানা। ১৬ বছর পর গিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখলেন, ঘন গাছপালা ও লতায় ঢেকে গেছে জমি, এতটাই যে রাস্তার পাশের প্রায় ৭ ফুট লম্বা উজ্জ্বল হলুদ সাইনবোর্ডটিও গাছের আড়ালে চলে গেছে। ঘটনাটি মধ্য আমেরিকার কোস্টারিকার একটি জাতীয় উদ্যানের।

১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি কোস্টারিকার উত্তর সীমান্তে কমলার জুস কারখানা চালু করে ডেল অরো নামের একটি প্রতিষ্ঠান। গুয়ানাকাস্তে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে কর্মরত পরিবেশবিদ ড্যানিয়েল জানজেন ও উইনি হলভাক্স তাদের প্রস্তাব দেন: প্রতিষ্ঠানটি সংরক্ষিত বনের জন্য কিছু বনভূমি দান করলে জাতীয় উদ্যানের ক্ষতিগ্রস্ত জমিতে কমলার খোসা ও অন্যান্য জৈব বর্জ্য ফেলার সুযোগ পাবে, যা ধীরে ধীরে পচে মাটিতে মিশে যাবে। ১৯৯৭ সালের চুক্তির পর প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন খোসা ও পাল্প ট্রাকে করে অনুর্বর জমিতে ফেলা হয়।

বছর না ঘুরতেই আইনি জটিলতা শুরু হয়। ডেল অরোর প্রতিদ্বন্দ্বী টিকোফ্রুট অভিযোগ করে, জাতীয় উদ্যানে বিপুল বর্জ্য ফেলে জায়গাটি নষ্ট করা হয়েছে; মামলা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায় এবং আদালত টিকোফ্রুটের পক্ষে রায় দেন। এরপর প্রায় ১৫ বছর জায়গাটির কথা কেউ মনে রাখেনি। ২০১৩ সালে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক টিমোথি ট্রয়ের জানজেনের সঙ্গে গবেষণার বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পুরোনো জায়গাটির খোঁজ পান।

গবেষকেরা কমলার খোসা ফেলা জমি এবং রাস্তার অপর পাশের একই রকম জমির তুলনা করেন, গাছের সংখ্যা, আকার ও প্রজাতি মাপেন, মাটির নমুনা পরীক্ষা করেন। ফলাফল স্পষ্ট: খোসা ফেলা তিন হেক্টরে গাছের বায়োমাস বেড়েছে ১৭৬ শতাংশ; মাটি বেশি পুষ্টিসমৃদ্ধ, গাছের প্রজাতি বেশি, বনের ছাউনিও বেশি ঘন। যে বর্জ্য একসময় ফেলনা ছিল, তা-ই অনুর্বর জমিকে আবার সবুজ করে তুলেছে।

গবেষণাটি প্রকাশিত হয় ‘রেস্টোরেশন ইকোলজি’ সাময়িকীতে। অন্যতম লেখক টিমোথি ট্রয়েরের মতে, কৃষি ও খাদ্যশিল্পের বর্জ্য ব্যবহার করে বন পুনরুদ্ধারের এমন উদাহরণ খুব বেশি নেই; খাদ্য তৈরির যে অংশটুকু আমাদের কাছে অপ্রয়োজনীয়, প্রকৃতির কাছে তা কখনো কখনো মূল্যবান সম্পদ। প্রিন্সটনের পরিবেশবিদ ডেভিড উইলকোভের ভাষায়, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও পরিবেশকর্মীরা একসঙ্গে কাজ করলে শিল্পের তৈরি পরিবেশগত সমস্যার কিছুটা সমাধান সম্ভব।

বাংলাদেশের ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষিশিল্পের জৈব বর্জ্য কীভাবে মাটির উর্বরতা ফেরাতে কাজে লাগানো যায়, কোস্টারিকার এই পরীক্ষা সেই প্রশ্নের একটি বাস্তব উত্তর।

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

২০ লাখ পোকা ধরেও থামেনি শাল বোরার, বৃক্ষনিধন নিয়ে প্রশ্ন মধ্যপ্রদেশে

প্রায় ৪০ লাখ রুপি খরচে পোকা ধরার পরও ডিন্ডোরির শাল বনে আক্রমণ চলছে। বর্ষায় গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।

ডাউন টু আর্থ৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

এল নিনোতে ২০২৭ সালে ১০ লাখ টন ধানের ক্ষতির শঙ্কা ফিলিপাইনে

আগামী বছরের প্রথমার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শুকনো মৌসুম ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দামও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটির কৃষি বিভাগ।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

কৃষি প্রকল্পে লুকানো সংঘাতের ঝুঁকি ধরতে সিজিআইএআরের নতুন পদ্ধতি

মালি ও ঘানার দুটি জলবায়ু-সহনশীল গ্রামে পরীক্ষায় দেখা গেছে, ভূমি অধিকারের ফাঁক সাফল্য নষ্ট করতে পারে এবং বৈশ্বিক তথ্য স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।

CGIAR৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)