নিজে নিজে পরাগায়িত হতে পারে এমন কাঠবাদাম বাগানেও মৌমাছি ফলন বাড়ায়, তবে প্রচলিত হারে একরে দুটি মৌচাক হয়তো লাগে না। আলমন্ড বোর্ড অব ক্যালিফোর্নিয়ার সহায়তায় দুই বছরের এক গবেষণার এই ফলাফল প্রকাশ করেছে ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাগ নেটওয়ার্ক। কাঠবাদাম চাষিদের বড় বার্ষিক খরচের একটি মৌচাক ভাড়া: প্রচলিত জাতের পূর্ণবয়স্ক বাগানে একরে দুটি মৌচাকের সুপারিশ, প্রতিটির ভাড়া প্রায় ২০০ ডলার।
স্ব-পরাগায়িত ইনডিপেনডেন্স জাতে ২০২০ ও ২০২১ সালে গবেষণাটি করেন নিনো নামের গবেষক, সঙ্গে ছিলেন মার্কিন কৃষি গবেষণা সেবার অরথি শেষাদ্রি, ওলামের জ্যাক এলিস ও বিফ্লোর অ্যাঞ্জি দে লা লুজ। প্রথম বছরে কিছু গাছ খাঁচায় ঢেকে মৌমাছি আটকানো হয়। যেসব গাছে মৌমাছি পৌঁছাতে পেরেছে, সেগুলোয় বাদাম ধরেছে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি, ফলন ও ওজনও বেশি; তবে বেশি বাদাম ধরায় প্রতিটি শাঁসের গড় ওজন সামান্য কম।
দ্বিতীয় বছরে একরে শূন্য, একটি ও দুটি মৌচাক তুলনা করা হয়, পাশের বাগান থেকে আসা মৌমাছিকে প্রায় আধা মৌচাকের সমান ধরে। মৌচাক না থাকার তুলনায় একটি মৌচাকে মৌমাছির আনাগোনা বেড়েছে, কিন্তু একটি থেকে দুটিতে গেলে ফুলে মৌমাছির আসা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি; বেশি মৌমাছিতে ফুলের ক্ষতিও হতে পারে।
ফলে সিদ্ধান্তটি অর্থনৈতিক: বাড়তি ফলন আর মৌচাক ভাড়ার খরচ মিলিয়ে দেখতে হবে চাষিকে। গবেষকেরা বলছেন, গবেষণাটি ছোট পরিসরের; নতুন স্ব-পরাগায়িত জাত আসায় আরও গবেষণা দরকার।
ছবি: Almond Board of California
সূত্র: California Ag Network




মন্তব্য
(০)