যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম সমভূমির কৃষক ও খামারিরা এখন দেখবেন, এই শরৎ ও শীতে এমন বৃষ্টি-তুষার হয় কি না যাতে খরা কমে আর নদীগুলো আবার পানি পায়, লিখেছেন ডিটিএনের কৃষি আবহাওয়াবিদ ব্রাইস অ্যান্ডারসন। ২০২৫-২৬ সালের শীতে ব্যাপক তুষারখরার প্রভাব বসন্ত ও গ্রীষ্মজুড়ে দীর্ঘ শুষ্কতায় দেখা গেছে।
ওয়াইয়োমিং ও পশ্চিম নেব্রাস্কা দিয়ে বয়ে যাওয়া নর্থ প্লাট নদী রকি পর্বতের বরফগলা পানির ওপর নির্ভর করে। মার্কিন ব্যুরো অব রিক্লামেশনের হিসাবে এপ্রিল-জুলাইয়ে প্রবাহ ছিল মাত্র ১ লাখ ৮৩ হাজার একর-ফুট, ৩০ বছরের গড়ের ২১ শতাংশ। রিজার্ভয়ার্স ডট আর্থের তথ্যে, প্রধান দুই সেচ জলাধার সেমিনো ও পাথফাইন্ডারে ২৭ সেপ্টেম্বর পানি ছিল ৪ লাখ ১২ হাজার একর-ফুট, যা এক বছর আগের চেয়ে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার একর-ফুট কম; ২০২১ সালে পর্যবেক্ষণ শুরুর পর বছরের এই সময়ে পাথফাইন্ডার সবচেয়ে কম।
নেব্রাস্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রসারণ শিক্ষাবিদ গ্যারি স্টোন বলেন, ৩০ বছরের গড় বরফগলা প্রবাহ ৮ লাখ ৯১ হাজার একর-ফুট; গড় বা তার বেশি হলেই জলাধার ভরতে সাহায্য করবে।
এই শরতে এখন পর্যন্ত নদীর উৎসমুখ কলোরাডোর উত্তর-মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টি খুব কম; জ্যাকসন কাউন্টিতে মাঝারি থেকে চরম খরা চলছে। দক্ষিণ-পশ্চিম ও মধ্য সমভূমিতে সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টি মধ্য ও উত্তর রকি অঞ্চলকে প্রায় এড়িয়ে গেছে।
শক্তিশালী এল নিনোর পূর্বাভাস বেশি ভেজা শীতের দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ডিটিএনের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে শরতের বাকি সময় ও ২০২৭ সালের প্রথম চার মাসে বেশির ভাগ সময় স্বাভাবিকের বেশি বৃষ্টি-তুষারের কথা বলা হয়েছে, যা নর্থ প্লাটসহ রকি পর্বতনির্ভর নদীগুলোর প্রবাহ বাড়াতে পারে। কতটা তুষার পড়ে, সেদিকেই নজর থাকবে।
ছবি: U.S. Bureau of Reclamation / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: DTN / Progressive Farmer





মন্তব্য
(০)