সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘ

নেই বেচাকেনা, পশু নিয়ে ক্রেতাদের অপেক্ষায় বিক্রেতারা

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে বাকি আর একদিন। শেষ মুহূর্তে বিক্রির জন্য আনা কোরবানির পশু নিয়ে ক্রেতাদের জন্য অপেক্ষায় ব্যাপারীরা। হাটে প্রচুর পশু থাকলেও ক্রেতাদের চাপ নেই। তাই অনেকটা অলস সময় পার করছেন বিক্রেতারা।

লাইভস্টক

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে বাকি আর একদিন। শেষ মুহূর্তে বিক্রির জন্য আনা কোরবানির পশু নিয়ে ক্রেতাদের জন্য অপেক্ষায় ব্যাপারীরা। হাটে প্রচুর পশু থাকলেও ক্রেতাদের চাপ নেই। তাই অনেকটা অলস সময় পার করছেন বিক্রেতারা।

শনিবার (১৫ জুন) রাজধানীর শনিরআখড়া হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্যাপারীদের আশা, বিকেল নাগাদ ক্রেতাদের ভিড় বাড়বে।

এদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখনো হাটে পশু নিয়ে আসছেন ব্যাপারীরা। ফলে হাটের পশু এখন বিভিন্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়েছে।

হাট ঘুরে দেখা গেছে, ব্যাপারীদের অধিকাংশই অলস সময় পার করছেন। কেউ কেউ ক্রেতা না পেয়ে ঘুমাচ্ছেন। পশুর যত্ন নিয়ে সময় পার করছেন অনেক ব্যাপারী। কেউ আবার বেচাবিক্রির পরিস্থিতি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলছেন।

আরও পড়ুন

ফরিদপুর থেকে আসা ব্যাপারী গোলাম মওলা জাগো নিউজকে বলেন, আমি ১৭টা গরু নিয়ে আসছি, বিক্রি করতে পেরেছি পাঁচটা। বড় গরুগুলা আছে। কাস্টমার এখন কম, বিকেল বেলা বাড়বে। পছন্দ মতো দামে কী আর বেচা হয়? চালানের থেকে আরও লসে বেচা লাগছে। প্রতিটা গরুতে ৩০-৪০ হাজার টাকা লস। আল্লাহ ভরসা, আল্লাহ যদি সব বিক্রি করায় তাহলে হবে, নাহলে আর কায়দা নাই।

কুষ্টিয়া থেকে আসা ব্যাপারী শিশির আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ১২টা গরু আনছি, একটাও বিক্রি হয়নি। হাটের অবস্থা খুবই খারাপ। বেচাকেনা একেবারেই হচ্ছে না। যে গরু কিনে আনছি ২ লাখ ২০ হাজারে, সেটার দাম বলে ১ লাখ ৮০ হাজার। এভাবে গরু বেচাকেনা হলে তো ব্যাপারী বাঁচবে না। বিক্রি না হলে অবশ্যই ফেরত নিয়ে যাবো। দেশেই আমার অনেক ভালো। আমাদের গ্রামে যেমন হাট থাকে তেমন হাটের দামও বলে না এখানে, এত কম। আমরা আসছি ৯ তারিখে, কিন্তু একটাও বিক্রি করতে পারিনি।

ফরিদপুর থেকে আসা আরেক ব্যাপারী মো. হাফেজ জাগো নিউজকে বলেন, ১৩টা গরু নিয়ে আসছি, এখন পর্যন্ত একটা গরু বিক্রি করতে পেরেছি। সবগুলা বিক্রি করতে পারবো ইনশাআল্লাহ। আজকেই সব বেচে ফলবো। কাস্টমার বিকেলে নামবে। আমার কাছে সব বড় গরু। গতকালও ভালো বেচাকেনা হয়েছে। আজকেও ভালো হবে আশা করি।

পশু কিনতে আসা আনিসুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, সকাল সকাল গরু কিনতে বের হলাম। কিন্তু ব্যাপারীরা তো দাম ছাড়ছে না। মনে করছে রাতে অনেক কাস্টমার হবে। আমি একটা গরুর দাম ১ লাখ ৩০ হাজার বলছি, তাও দেয় নায়। মনে হয় না এখন কিনতে পারবো। দেখি, রাতে আবার আসবো।

এদিকে গরুর পাশাপাশি খাসির দামও অনেক বেশি বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ক্রেতারা। সবচেয়ে ছোট সাইজের খাসিও ১০ হাজার টাকার বেশি চাইছেন বিক্রেতারা। আর বড় খাসির দাম লাখ টাকাও হাঁকছেন কেউ কেউ।

এবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ২০টি কোরবানির পশুর হাট বসেছে। এরমধ্যে সারুলিয়া স্থায়ী হাটসহ দক্ষিণ সিটিতে ১১টি এবং গাবতলীর স্থায়ী হাটসহ উত্তর সিটিতে ৯টি হাট বসেছে। হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তায় তৎপর রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবীসহ ইজারাদাররা।

আইএইচআর/এমএইচআর/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সরকারি সহযোগিতায় শৌখিন পায়রা রপ্তানি সম্ভব

দেশে বাড়ছে শৌখিন পায়রা পালনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ। নরসিংদীতে এমনই এক সফল খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। সেখানে রয়েছে নানা জাতের বিদেশী পায়রা। উদ্যোক্তা বলছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব শৌখিন পায়রা রপ্তানি করা সম্ভব।

শাইখ সিরাজ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
লাইভস্টক

ডিমের ভেতরেই লিঙ্গ নির্ণয়: পাঁচ বছরে ইউরোপের ৪০ শতাংশ বাজারে, যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধায়

ডিম ফোটার আগেই বাচ্চার লিঙ্গ নির্ণয়ের প্রযুক্তি পাঁচ বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের লেয়ার বাজারের শূন্য থেকে ৪০ শতাংশে পৌঁছেছে, পুরুষ বাচ্চা মারার ওপর নিষেধাজ্ঞার জোরে; যুক্তরাষ্ট্রে কেবল প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডগুলো এটি নিয়েছে, খুচরা বিক্রেতারা বাড়তি দাম দিতে নারাজ।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

NoFence আনল তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 ও পশুপাল ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম

নরওয়ের ভার্চুয়াল ফেন্সিং কোম্পানি NoFence তাদের তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 বাজারে এনেছে—স্যাটেলাইট ব্যাকআপ আর এমন সফটওয়্যার নিয়ে, যা চারণের হিসাব নিজে লেখে, সময়সূচি ধরে পাল সরায় এবং গরমে আসা গাভি চিহ্নিত করে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()