বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি ৩.০) বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন বাড়ানো, অর্থায়নের নতুন সুযোগ কাজে লাগানো এবং জলবায়ু অগ্রাধিকারগুলোকে বাস্তবসম্মত ও বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্পে রূপ দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন দেশি-বিদেশি জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা।
জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ৩১-এর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট (বিসিসিটি), পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং টেকসই উন্নয়ন, সবুজ দক্ষতা ও জলবায়ু কার্যক্রমবিষয়ক ইউনেস্কো চেয়ার যৌথভাবে ‘দ্য রোড টু আনতালিয়া: ক্লাইমেট ফাইন্যান্স অ্যান্ড এনডিসি ৩.০’ শীর্ষক ৯০ মিনিটের অনলাইন ওয়েবিনার আয়োজন করে। এটি বিসিসিটির কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ (খসড়া)-এর জলবায়ু অর্থায়ন এবং নবায়নযোগ্য ও নিম্ন-কার্বন অগ্রাধিকার এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগেরও অংশ।
বিশেষজ্ঞরা জলবায়ু অর্থায়নের কার্যকর ব্যবহারে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা ও নীতিনির্ধারণের সমন্বয়, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব এবং অর্থায়ন ও প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিসিসিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুব সামান্য হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে দেশটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা ও তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে নিজস্ব সম্পদে অভিযোজন ও সহনশীলতার কাজ করে আসছে।
প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম; বিশেষ অতিথি প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ। সঞ্চালনা করেন ইউনেস্কো চেয়ার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নূরুন্নবী।
আন্তর্জাতিক প্যানেলে ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ড. লিওনার্দো এ.এ. তেগুহ সাম্বোদো, ডব্লিউএইচওর পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক পরিচালক ড. মারিয়া নেইরা, অস্ট্রেলিয়ার সিকিউনিভার্সিটির অধ্যাপক ওলাভ মুরলিঙ্ক, তুরস্কের ইস্তাম্বুল আয়দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এলিফ কায়া, তুরস্কের উমায় ইয়িলমাজ এবং উগান্ডার ক্লাইমেট হাব ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. ক্লিনটন মাওয়ান্ডা।
সূত্র: দেশ রূপান্তর



মন্তব্য
(০)