নাটোর স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় বুধবার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে স্বেচ্ছাসেবীরা প্রায় ২ হাজার ১৮০ কেজি একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করেছেন। একই দিনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আলোচনা সভায় প্লাস্টিকসহ রাসায়নিক, কৃষি ও ইলেকট্রনিক বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের ‘বাংলাদেশে টেকসই প্লাস্টিক ব্যবহার ও সামুদ্রিক বর্জ্য প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি হয়। প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউএনআইডিও), অর্থ দিচ্ছে ঢাকার রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাস।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) আসমা খাতুনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার। মূল প্রবন্ধে ইউএনআইডিওর ন্যাশনাল এক্সপার্ট এস এম আরাফাত বলেন, প্লাস্টিকের উৎপাদন ও ব্যবহার থেকে সংগ্রহ, পুনঃব্যবহার, পুনঃচক্রায়ন ও চূড়ান্ত অপসারণ পর্যন্ত পুরো জীবনচক্র ধরে পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি উৎস পর্যায়ে বর্জ্য আলাদা করা এবং নিয়মিত সচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেন।
নাটোর পৌরসভার প্রশাসক শামীম হোসেন একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকসহ রাসায়নিক, কৃষি ও ইলেকট্রনিক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। কসমস এনজিওর নির্বাহী পরিচালক মেহনাজ পারভীন মালা, রোভার স্কাউটস ও বিডি ক্লিনের প্রতিনিধিরা প্লাস্টিক দূষণ ঠেকাতে সম্মিলিত উদ্যোগের কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার রাজশাহীকে পরিচ্ছন্ন শহরের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে নাটোরকেও সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার আহ্বান জানান। যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে বাসিন্দাদের প্রতি অনুরোধ করেন তিনি।
সভায় পরিবেশ অধিদপ্তরের নাটোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় অংশীজনেরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ইউএনআইডিওর চলমান কার্যক্রম নিয়ে একটি ভিডিও দেখানো হয়।
ছবি: David Stanley / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: সমকাল



মন্তব্য
(০)