সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৩%বাতাস কিমি/ঘ

পাহাড়ে মিয়াজাকি আমের কেজি ৯০০ টাকা

খাগড়াছড়ির আম্রপালির পরিচিতি দেশজুড়ে। আম্রপালির সাফল্যের পর বিদেশি রঙিন আম চাষে ঝুঁকছেন পাহাড়ের চাষিরা। এখানে ৬০০-৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এসব আম। খাগড়াছড়ির উঁচু-নিচু টিলাভূমিতে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে রঙিন আম। বিদেশি রঙিন আমে সফলতার আশা করছেন শৌখিন চাষিরা।

ফল

খাগড়াছড়ির আম্রপালির পরিচিতি দেশজুড়ে। আম্রপালির সাফল্যের পর বিদেশি রঙিন আম চাষে ঝুঁকছেন পাহাড়ের চাষিরা। এখানে ৬০০-৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এসব আম। খাগড়াছড়ির উঁচু-নিচু টিলাভূমিতে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে রঙিন আম। বিদেশি রঙিন আমে সফলতার আশা করছেন শৌখিন চাষিরা।

খাগড়াছড়িতে প্রথমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে দামি আমের খেতাব পাওয়া 'মিয়াজাকি' বা সূর্যডিম' চাষ করে সফল হয়েছেন কৃষক হ্ল্যাশিমং চৌধুরী। তার হাত ধরে ২০১৬ সালে এ আমের যাত্রা শুরু। এরপর বিদেশি আম আধিপত্য গড়ে তোলে সবুজ পাহাড়ে। বর্তমানে খাগড়াছড়িতে অন্তত শতাধিক জাতের বিদেশি আম চাষ হচ্ছে।

পাহাড়ে মিয়াজাকি বা সূর্যডিম, আমেরিকান পালমার, কেন্ট, ইতালিয়ান অস্টিন, অস্ট্রেলিয়ান কেনসিংটন প্রাইড, কেইট, রেড আইভেরি, রেড অ্যাম্পেরর, ব্যানানা ম্যাংগো, কার্টিমন, কিউজাই, রেড লেডি, আপেল ম্যাংগো, আরটুইটু ও থাই কাঁচামিঠাসহ বিভিন্ন প্রজাতির বিদেশি আম চাষ হচ্ছে। প্রচলিত দেশি আমের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এ আম।

আরও পড়ুন: কারিশমা জাতের তরমুজ চাষে সবুজের সাফল্য

সরেজমিনে দেখা যায়, থোকায় থোকায় ঝুলছে বিদেশি আম। রঙিন আম চাষে সফল জাতীয় কৃষি পদক পাওয়া হ্ল্যাশিমং চৌধুরীর পর সফল হয়েছেন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মংশিতু চৌধুরী। সরকারি চাকরি ছেড়ে আম চাষে সফল হন তিনি। খাগড়াছড়ি সদরের ভুয়াছড়ি এলাকায় গড়ে তোলা তার বাগানে ৪২টি প্রজাতির বিদেশি আম গাছের মধ্যে ২২টিতে ফলন এসেছে। চলতি মৌসুমে অন্তত ১৫ লাখ টাকার আম বিক্রির আশা করছেন তিনি।

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় প্রচলিত আমের পাশাপাশি বিদেশি আমে বাগান সাজিয়েছেন একটি প্রাইভেট কোম্পানির চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট অনিমেষ সাহা। তার বাগানে বর্তমানে শতাধিক জাতের বিদেশি আম আছে। অনেক গাছেই ফলন এসেছে। স্থানীয় কৃষকদের হাতে বিদেশি আমের চারা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন এ উদ্যোক্তা।

অন্য আম যখন কেজি ৩০-৫০ টাকা বিক্রি হয়, সেখানে বিদেশি রেড ম্যাংগোর দাম কয়েকগুণ বেশি। তথ্যমতে, প্রতি কেজি মিয়াজাকি আম বিক্রি হয় ৯০০ টাকায়, রেড আইভেরি কেজি ৭০০ টাকা, রেড অ্যাম্পেরর বা চাকাপাত ৯০০ টাকা, অস্ট্রেলিয়ান আরটুইটু বিক্রি হয় ৬০০ টাকা এবং হ্যানিভিউর দাম কেজি ৬০০ টাকায়। দাম বেশি হওয়ায় বিদেশি আম স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয় না। তবে অনলাইনের মাধ্যমে দেশের শৌখিন ভোক্তারা কিনে থাকেন।

আরও পড়ুন: জ্যৈষ্ঠ মাসে ফলের সমাহার

বিদেশি আমের চাষাবাদের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করছে খাগড়াছড়ি পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। বিভিন্ন জাতের আমের ফলন, মিষ্টতাসহ অন্য বিষয় নিয়ে গবেষণা করছে প্রতিষ্ঠানটি। খাগড়াছড়ি পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলতাফ হোসেন বলেন, 'শৌখিন কৃষকদের হাত ধরে পাহাড়ে বেশ কিছু রঙিন জাতের বিদেশি আম এসেছে। ভিনদেশি আমের যেসব জাত এখানে এসেছে; সেসব জাত ওইসব দেশে বেশ জনপ্রিয় এবং তাদের ফলনও বেশি। শৌখিন কৃষকেরা এসব বিদেশি জাতের আম চাষ করে ভালো ফলনও পাচ্ছেন।

চলতি মৌসুমে খাগড়াছড়িতে ৩ হাজার ৭০০ হেক্টরের বেশি জমিতে আম আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৫ হেক্টর জমিতে বিদেশি আম চাষ হয়েছে। খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কিশোর কুমার মজুমদার বলেন, 'ফলন বেশি হওয়ায় কৃষকেরা বারি উদ্ভাবিত আম্রপালি, রাংগুয়াই, বারি ফোর চাষ বেশি করে। তবে দাম বেশি হওয়ায় সচেতন কৃষকেরা বিদেশি আম চাষে ঝুঁকছেন।'

তিনি বলেন, 'বিদেশি জাত ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আড়াই হাজার ব্যানানা ম্যাংগো এবং ৩ হাজার কাটিমন আমের চারা বিতরণ করা হয়েছে। আগ্রহী কৃষকেরা এখান থেকে চারা সংগ্রহ করতে পারবেন। ভবিষ্যতে পরিসর বাড়ানো হবে। আম চাশি মংশিতু চৌধুরীকে রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনকারী কৃষকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।'

মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এসইউ/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

ছয় বছরের স্ট্যাকাটো চেরি পেটেন্ট মামলায় মনসন ফ্রুটের সঙ্গে সমঝোতা কানাডার

ওয়াশিংটনের প্যাকারটি অতীত ও ভবিষ্যতের রয়্যালটি দেবে, ২০২৯ পর্যন্ত জাতটির চারা বানাতে ও ২০৩২ পর্যন্ত ফল রপ্তানি করতে পারবে না; বিচারক আগেই রায় দিয়েছিলেন, এক চাষির পেটেন্ট করা 'গ্লোরি' জাত ভুলক্রমে তাঁর কাছে পৌঁছানো কানাডার উদ্ভাবিত স্ট্যাকাটো গাছ থেকে জিনগতভাবে অভিন্ন।

Capital Press১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

পাহাড়ে কাজুবাদাম, কফি ও মসলা চাষের সুযোগ বিশাল: পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

ঢাকার সবুজায়ন নিয়ে এক আলোচনা সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বলেছেন, গাছ লাগানোর আগে প্রজাতি বাছাই জরুরি এবং পাহাড়ে কলা-পেঁপের বাইরে উচ্চমূল্যের ফসল ও ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলে প্রান্তিক মানুষের জীবনমান বদলাতে পারে।

বাংলা নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

ওরেগনের চেরি চাষিরা টানা দ্বিতীয় বছর লোকসানের কিনারে, দাম উৎপাদন খরচের সামান্য ওপরে

যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক নর্থওয়েস্টের মিষ্টি চেরি চাষিরা বলছেন, এ বছর ফলের দাম উৎপাদন খরচের চেয়ে মাত্র কয়েক সেন্ট বেশি হওয়ায় গত বছরের অতিরিক্ত সরবরাহ ও শ্রমিক সংকটের ঋণ শোধ করা যাচ্ছে না।

Morning Ag Clips১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()