মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার খরচ দিতে নতুন খরচ-ভাগাভাগি কর্মসূচি চালু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সেবা (এনআরসিএস), আর কৃষকদের তা কাজে লাগাতে বলছেন মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিশেষজ্ঞ মুহাম্মদ রাসেল পারভেজ। এ বছরের গ্রীষ্মে এক মাঠ দিবসে তিনি বলেন, এটি কার্যত বিনা মূল্যের টাকা। খবরটি দিয়েছে ফার্ম প্রগ্রেস।
সিইএমএ ২১৬ (কনজারভেশন ইভ্যালুয়েশন মনিটরিং অ্যাকটিভিটি) নামের কর্মসূচিটি কোনো একক মাপ নয়, মাটির জৈব, রাসায়নিক ও ভৌত বৈশিষ্ট্যের তথ্য দেয়। এনআরসিএস দুটি প্রণোদনা দিচ্ছে: তিনটি নমুনার সাধারণ পরীক্ষায় ৫২০ ডলার, আর তিনটি নমুনার উন্নত পরীক্ষায় ৭৭০ ডলার।
সাধারণ পরীক্ষায় মোট জৈব কার্বন, সক্রিয় কার্বন (পিওএক্সসি), পানিতে মাটির দানার স্থায়িত্ব, মাটির শ্বসন, এসিই প্রোটিন, পিএইচ ও মাটির বুনট মাপা হয়; উন্নত পরীক্ষায় এর সঙ্গে পিএলএফএ বিশ্লেষণ বা নির্দিষ্ট এনজাইম বিশ্লেষণ যোগ হয়। পারভেজ জানান, প্রতিটি নমুনার পরীক্ষায় ১০০ ডলারের বেশি খরচ হয়, তাই একই রকম জমির কয়েক জায়গা থেকে মাটি তুলে মিশিয়ে একটি যৌগিক নমুনা করার পরামর্শ দেন তিনি।
মিসৌরির কৃষকেরা নিজেদের ফল রাজ্যের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে পারেন: গত ১০ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়টি মাটির স্বাস্থ্যের ১৭ হাজারের বেশি তথ্যবিন্দু বিশ্লেষণ করেছে, আর প্রতিবেদনে প্রতিটি সূচককে খুব কম থেকে খুব বেশি পর্যন্ত স্তরে ভাগ করা হয়। বেশির ভাগ কাউন্টির ফল মাঝারি স্তরে। পারভেজের ভাষায়, স্থানীয় ব্যাখ্যাই গবেষণাগারের একটি সংখ্যাকে কৃষকের কাজে লাগার মতো তথ্যে পরিণত করে।
তাঁর পরামর্শ: নমুনার গভীরতা সব সময় ০ থেকে ৬ ইঞ্চি রাখা, অনেক জায়গা থেকে মাটি তোলা, খেতের প্রবেশপথ, সার ছড়িয়ে পড়ার জায়গা, গোবরের স্তূপ, ভেজা জায়গা ও বেড়ার ধার এড়িয়ে চলা, প্রতিবার একই জায়গায় বছরের একই সময়ে নমুনা নেওয়া এবং ব্যবস্থাপনা ও স্থানের তথ্য লিখে রাখা। আচ্ছাদন ফসলের মতো পরিবর্তনের আগে প্রথম নমুনা নিলে পরে তার প্রভাব মাপা যায়।
আগ্রহী কৃষকেরা স্থানীয় এনআরসিএস কার্যালয়ে আবেদন করতে পারেন; অনুমোদনের পর নমুনা মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সয়েল হেলথ অ্যাসেসমেন্ট সেন্টারে পাঠানো যায়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন ক্রিস সিক্স।
ছবি: Lynn Betts, USDA NRCS / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Farm Progress





মন্তব্য
(০)