ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের ৩৫৮টি তহসিলের ২৬৫টি খরার কবলে পড়ায় গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও জীবিকা সহায়তায় ৬,৭২৮ কোটি রুপি বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। অর্থ আসবে বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) থেকে। ২৯ সেপ্টেম্বর খরা মোকাবিলায় মন্ত্রিসভার উপকমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বার্ষিক গড়ের চেয়ে ১৮ শতাংশ কম বৃষ্টির পর ২৬ সেপ্টেম্বর তহসিলগুলোকে খরাকবলিত ঘোষণা করা হয়। গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের হিসাবে, কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্পে কাজ চাওয়া পরিবার জুলাইয়ে ছিল ৪,০২,৪৯৩টি, আগস্টে ৪,৬১,৫৯৬টি আর সেপ্টেম্বরে ৪,৯৩,১৬৯টি।
কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্পের মন্ত্রী ভরত গোগাওয়ালে বলেন, খরার সবচেয়ে বড় আঘাত পড়বে কৃষক, কৃষিশ্রমিক ও গ্রামের শ্রমজীবী পরিবারের ওপর; লক্ষ্য হলো বাড়ির কাছেই কাজ দেওয়া, যাতে কাউকে অন্যত্র যেতে না হয়। ৩৭৫ ধরনের কাজ চিহ্নিত হয়েছে। পরিবারভিত্তিক কাজের মধ্যে আছে গোয়ালঘর, সেচ সুবিধা, ফলবাগান, নলকূপ পুনর্ভরণ, বাঁশ চাষ, রেশম চাষের ঘর ও কম্পোস্ট গর্ত; সরকারি কাজের মধ্যে পুকুর ও পানি পুনর্ভরণ কাঠামো সংস্কার, বাঁধ, খামারের রাস্তা এবং কৃষিপণ্য বাজার কমিটির গুদাম ও বাজার মঞ্চ।
বিভাগভিত্তিক বরাদ্দে ছত্রপতি সম্ভাজিনগর পাচ্ছে ১,৯৪৪ কোটি, অমরাবতী ১,১৪৫ কোটি, পুনে ৮০১ কোটি, কোঙ্কণ ৪৮৯ কোটি এবং নাগপুর ১১৯ কোটি রুপি। খরচের ৬০ শতাংশ দেবে কেন্দ্র, ৪০ শতাংশ রাজ্য।
রাজস্বমন্ত্রী চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে জানান, শহরে পানি সরবরাহ ১০ শতাংশ কমানো এবং গ্রামে পানির ব্যবহারে বিধিনিষেধের কথা ভাবছে পানিসম্পদ বিভাগ, তবে সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্ভাব্য পশুখাদ্য সংকট মোকাবিলায় তিন সদস্যের সচিব কমিটিও গঠন করা হবে। মারাঠওয়াড়ার বীড জেলার কৃষকেরা ডাউন টু আর্থকে বলেছেন, খাবার পানি ও গরুর খাবার নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায়; ২০২৫ সালের বন্যার ধাক্কাই এখনো কাটেনি।
প্রতিবেদনটি ডাউন টু আর্থের জন্য লিখেছেন হিমাংশু নিতনাওয়ারে।
ছবি: Suhasajgaonkar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: ডাউন টু আর্থ





মন্তব্য
(০)