দূষিত বায়ু প্রতিনিয়ত শ্বাসের সঙ্গে নিলে ফুসফুসের ব্যাপক ক্ষতি হয়, তাই শৈশব থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ধাপে ফুসফুসের সুরক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। রোববার ঢাকায় 'আজীবন ফুসফুসের সুস্থতা' শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলেন।
দ্য চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ও অ্যারিস্টোফার্মা পিএলসির সহযোগিতায় আয়োজিত আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন।
প্যানেল আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশ চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল, জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসাইন ভূঁইয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম এবং এভারকেয়ারের অধ্যাপক ডা. রৌশনী জাহান ও ডা. জিয়াউল হকসহ কয়েকজন চিকিৎসক।
বক্তারা বলেন, ফুসফুসের সুস্থতা নিশ্চিত করতে ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য বর্জন করতে হবে এবং বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রচলিত তামাকপণ্যের মতো ই-সিগারেট ও ভেপিংও ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর, তাই এগুলোর ব্যবহার বন্ধ এবং অন্যান্য নিকোটিন পণ্যের বিস্তার রোধে পদক্ষেপ নিতে হবে।
তাঁরা আরও বলেন, ফুসফুসের কোনো রোগ হলে দ্রুত শনাক্ত করে চিকিৎসা নিতে হবে। সচেতনতা জরুরি বলে সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যতথ্য পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথাও বলেন বক্তারা।
সূত্র: দেশ রূপান্তর





মন্তব্য
(০)