দেশের কোথাও এলপিজির কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয় থেকে ডিসিদের সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশে এলপিজির সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তবে কিছু এলাকায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি হতে পারে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও কোথাও কেন সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে এবং কেন বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে, তা যাচাই করে তথ্য-প্রমাণসহ প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে ডিসিদের।
ডিসিদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী। যেসব এলাকায় সরবরাহ কম পাওয়া যাবে, সেখানে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ সতর্ক করে বলেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হলে কিংবা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের আরও সজাগ থাকার নির্দেশও দেন তিনি। বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে বিইআরসির নির্ধারিত দরই মানদণ্ড, আর মাঠপর্যায়ে তা তদারকির দায়িত্ব এখন জেলা প্রশাসনের ওপর।
ছবি: Evil Monkey / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.5)
সূত্র: কৃষি সংবাদ




মন্তব্য
(০)