লক্ষ্মীপুর সদর থেকে ভাগ হয়ে গঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি প্রায় ১২ বছর ধরে কার্যত বন্ধ। শান্তিরহাট বাজারে অবস্থিত কেন্দ্রটির চারপাশে জঙ্গল গজিয়েছে, ভবনটি এখন সাপ আর পোকামাকড়ের আবাস, জানিয়েছে বার্তা২৪।
দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ভবনের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ধরেছে, দেয়াল ও পলেস্তারা খসে পড়ছে; যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। মূল ফটকে দীর্ঘদিন তালা ঝুলছে, নেই স্থায়ী চিকিৎসক, নার্স বা নিয়মিত ওষুধ। ফলে এলাকার মানুষকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল বা পাশের নোয়াখালী জেলার হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, জরুরি রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তোফায়েল আহমেদ বলেন, এখানে ডাক্তার, নার্স, ওষুধ কিছুই নেই; এখন সপ্তাহে একদিন একজন ডাক্তার আসেন, আর চিকিৎসা নিতে এসে নারীরা ফিরে যাচ্ছেন। আরেক বাসিন্দা মাহবুবর রহমান বলেন, দেয়াল ধসে পড়ছে, ভবনের ওপর সাপের বসবাস।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর লক্ষ্মীপুরের উপপরিচালক নাজমুল হাসান বলেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো ১৯৮০-এর দশকে তৈরি হওয়ায় অনেকগুলো এখন জরাজীর্ণ। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলেও এখন এখানে একজন মেডিকেল অফিসার পদায়ন করা হয়েছে, শিগগির একজন নার্স যোগ দেবেন এবং ওষুধও সরবরাহ করা হবে। জেলার আটটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নতুন ভবনের পরিকল্পনা আছে, এর মধ্যে কুশাখালীতে তিনতলা ভবন হবে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়রা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ, চিকিৎসক ও নার্স পদায়ন এবং নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ করে কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালুর দাবি জানিয়েছেন।
সূত্র: বার্তা২৪



মন্তব্য
(০)