মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের ডোমাবাড়ী গ্রামের সমতলে প্রথমবারের মতো মাচা পদ্ধতিতে বারোমাসি তরমুজ চাষ করেছেন স্থানীয় তিন কৃষক খুরশেদ আলম, সিরাজুল ইসলাম ও সাইদুল ইসলাম। ব্যতিক্রমী রঙের, বেশি চাহিদার এই তরমুজে ভালো ফলন পেয়ে লাভের আশা করছেন তাঁরা; গ্রামের অন্যরাও এখন এই চাষে আগ্রহী।
খুরশেদ আলম জানান, সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রথমে পরিবারের চাহিদার জন্য বারোমাসি তরমুজ করেন, লাভজনক দেখে বাণিজ্যিক চাষে যান; তাঁর হিসাবে তিন বিঘায় তরমুজ করে তিন মাসে পাঁচ লাখ টাকা আয় সম্ভব। সিরাজুল ইসলাম উপজেলা কৃষি অফিসের কারিগরি সহায়তায় প্রায় ২০ শতক জমিতে অমৌসুমে চাষ করেছেন; বৈরী আবহাওয়ায় কিছু সমস্যা হলেও ফলন ভালো, আগামীতে বড় পরিসরে চাষের পরিকল্পনা তাঁর। সাইদুল ইসলাম বলেন, নতুন পদ্ধতিতে শুরুর শঙ্কা কেটেছে কৃষি বিভাগের পরামর্শ মেনে কাজ করায়।
স্থানীয় আব্দুর রহিম ও সাইন উদ্দিন জানান, অন্য কাজের পাশাপাশি তরমুজখেতে কাজ করে বাড়তি আয় হচ্ছে এবং বাজারে বারোমাসি তরমুজের চাহিদা ও দাম বেশি হওয়ায় খুরশেদকে অনুকরণ করে অনেকে চাষে নেমেছেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রনি সিং বলেন, মাচায় বারোমাসি তরমুজ এ এলাকায় নতুন উদ্যোগ; নিয়মিত পরামর্শ ও মাঠপর্যায়ে তদারকিতে সাফল্য এসেছে। জুড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম খানের ভাষ্য, কম জমিতে উন্নত প্রযুক্তিতে ভালো ফলন ও বেশি লাভের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে; কৃষি বিভাগ কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাবে।
রাইজিংবিডির মৌলভীবাজার প্রতিনিধি আব্দুল আজিজের প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: রাইজিংবিডি





মন্তব্য
(০)