২০২৬ সালের ১ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের খামারগুলোতে গরু ও বাছুরের সংখ্যা ছিল ৯ কোটি ৪২ লাখ (৯৪.২ মিলিয়ন), যা এক বছর আগের একই দিনের চেয়ে সামান্য বেশি। ২৪ জুলাই দেশটির কৃষি বিভাগের ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস (এনএএসএস) প্রকাশিত ক্যাটল প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বছরে দুবার মার্কিন গবাদি পশুর সংখ্যা গোনা হয় — একবার ১ জানুয়ারি, আরেকবার ১ জুলাই। দুটি হিসাব পাশাপাশি রাখলেই বোঝা যায়, দেশটির পশুসম্পদ আবার বাড়ছে নাকি এখনো সংকুচিত হচ্ছে।
এই সংখ্যায় পৌঁছাতে এনএএসএস জুলাইয়ের প্রথমার্ধে সারা দেশে ১৭ হাজার ৪০০-রও বেশি খামারির কাছ থেকে তথ্য নিয়েছে। তাঁদের কাছে ১ জুলাইয়ের মজুত এবং ২০২৬ সালের পুরো বছরের বাছুরের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়; উত্তর দেওয়া গেছে ইন্টারনেটে, ডাকে বা টেলিফোনে।
বছরের মাঝামাঝির এই হিসাবের গুরুত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়। মার্কিন গরুর মাংসের জোগান বিশ্ববাজারে আমিষের দামের একটি উপাদান, আর পালের আকার পশুখাদ্যের চাহিদাও ঠিক করে দেয় — সেই ভুট্টা আর সয়াবিন খইল, যার রপ্তানি দর বাংলাদেশের পোলট্রি ও ডেইরি খামারে খাদ্যের খরচ হয়ে পৌঁছায়।
এনএএসএসের অন্য সব প্রতিবেদনের মতো ক্যাটল প্রতিবেদনটিও সংস্থার ওয়েবসাইটে বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
সূত্র: ইউএসডিএ ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস





মন্তব্য
(০)