ঝালকাঠি পৌরসভায় ড্রেন, খাল ও পুকুরে বর্জ্য ফেলায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে, আর সুগন্ধা নদীর তীরে খোলা অস্থায়ী ডাম্পিং স্টেশনের কারণে পানি, মাটি ও বায়ুদূষণের পাশাপাশি মশার উপদ্রব বাড়ছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সহযোগী অ্যাকটিভ সিটিজেনস গ্রুপের (এসিজি) এক সভায় এসব চিত্র তুলে ধরা হয়।
টিআইবির এরিয়া কো-অর্ডিনেটর মিজানুর রহমানের উপস্থাপনায় গৃহস্থালি বর্জ্য অপসারণে ধীরগতি, মেডিকেল বর্জ্য থেকে সংক্রামক রোগের ঝুঁকি, পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংকট এবং কর্মীদের পিপিই ও হ্যান্ডগ্লাভস ব্যবহার না করার বিষয়ও উঠে আসে।
পৌর প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না জানান, স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। বিভিন্ন স্থানে ডাস্টবিন বসানোর বদলে সরাসরি বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, এতে রাস্তা, ড্রেন, খাল ও নদীতে বর্জ্য ফেলার প্রবণতা কমবে বলে মনে করেন তিনি।
এসিজির সুপারিশের মধ্যে রয়েছে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে বর্জ্য সংগ্রহ, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, হটলাইন ও অভিযোগ বাক্স চালু, জনবল ও সক্ষমতা বাড়ানো, দ্রুত ডাম্পিং স্টেশন ও সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণ, ওয়ার্ডভিত্তিক নাগরিক কমিটি গঠন এবং নিয়মিত তদারকি।
সনাকের পরিবেশবিষয়ক উপকমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ইসমাঈল হোসাঈনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সনাক সভাপতি সত্যবান সেনগুপ্ত। এসিজির স্বেচ্ছাসেবীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার তথ্য সংগ্রহ ও সমস্যা চিহ্নিত করার কাজ করছেন বলে সভায় জানানো হয়।
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ


মন্তব্য
(০)