২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের খামারগুলোতে গরু ও বাছুরের সংখ্যা ছিল ৮ কোটি ৬২ লাখ (৮৬.২ মিলিয়ন), যা এক বছর আগের চেয়ে সামান্য কম। ৩০ জানুয়ারি দেশটির কৃষি বিভাগের ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস (এনএএসএস) প্রকাশিত ক্যাটল প্রতিবেদনে এ তথ্য রয়েছে।
এই মোট সংখ্যার মধ্যে বাচ্চা দিয়েছে এমন গাভি ও বকনার সংখ্যা ৩ কোটি ৭২ লাখ — পরের বছরের জোগান যে প্রজনন ভিত্তি থেকে আসে, সেটিই।
সংকোচনটা মাংসের দিকে। ১ জানুয়ারি দেশটিতে মাংসের গাভি ছিল ২ কোটি ৭৬ লাখ, গত বছরের চেয়ে ১% কম; বাছুরের সংখ্যা ধরা হয়েছে ৩ কোটি ২৯ লাখ, ২% কম। মোটাতাজাকরণে থাকা গরুর সংখ্যা ১ কোটি ৩৮ লাখ, ২০২৫ সালের চেয়ে ৩% কম।
ডেইরি গেছে উল্টো পথে — দুধেল গাভির সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৫ লাখ ৭০ হাজার।
হিসাব তৈরিতে এনএএসএস জানুয়ারির প্রথমার্ধে সারা দেশে প্রায় ৩৫ হাজার খামারির কাছ থেকে তথ্য নিয়েছে। তাঁদের কাছে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারির মজুত এবং ২০২৫ সালের পুরো বছরের বাছুরের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়; উত্তর এসেছে ইন্টারনেটে, ডাকে, টেলিফোনে ও সরাসরি সাক্ষাৎকারে।
মাংসের গরু ও বাছুর — দুটোই কমা মানে মার্কিন গবাদি চক্র এখনো সংকুচিত পর্যায়েই আছে। এর দুটি প্রভাব এখান থেকেও দেখা যায়: বিশ্ববাজারে গরুর মাংসের দাম চড়া থাকা, আর মোটাতাজাকরণে কম গরু থাকায় ভুট্টা ও সয়াবিন খইলের চাহিদা কিছুটা নরম হওয়া — যে দুটি পণ্য বাংলাদেশ নিজের পশুসম্পদের জন্য আমদানি করে।
সূত্র: ইউএসডিএ ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস





মন্তব্য
(০)