সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৭২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

গ্যাসের চাপ পেয়ে আট মাস পর আবার ইউরিয়া উৎপাদনে যমুনা সার কারখানা

২০ সেপ্টেম্বর গ্যাস ফিরলেও চাপ ২৭-২৮ এমএমসিএফে আটকে থাকায় উৎপাদন হয়নি; পর্যাপ্ত চাপ পেয়ে সোমবার গভীর রাতে উৎপাদন শুরু হয়েছে, দিনে ১,২০০ থেকে ১,৪০০ টন ইউরিয়ার আশা।

গ্যাস সংকটে প্রায় আট মাস বন্ধ থাকার পর আবার ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করেছে জামালপুরের সরিষাবাড়ীর যমুনা সার কারখানা। পর্যাপ্ত চাপে গ্যাস পাওয়ার পর সোমবার (৫ অক্টোবর) গভীর রাতে উৎপাদন শুরু হয় বলে জানিয়েছেন কারখানার কর্মকর্তারা।

কারখানাটি গ্যাস না থাকা ও নানা যান্ত্রিক জটিলতায় ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত টানা ২৩ মাস বন্ধ ছিল। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাস সংকটে উৎপাদন আবার বন্ধ হয়ে যায়।

কারখানার অ্যামোনিয়া অ্যান্ড ইউটিলিটি বিভাগের প্রধান ফজলুল হক জানান, ২০ সেপ্টেম্বর থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলেও তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ২৭ থেকে ২৮ এমএমসিএফ চাপে গ্যাস দিচ্ছিল, তাই উৎপাদন করা যায়নি। "নিরবচ্ছিন্ন ইউরিয়া উৎপাদনের জন্য আদর্শভাবে গ্যাসের চাপ ৪৬ এমএমসিএফ প্রয়োজন। তবে ৪২ থেকে ৪৩ এমএমসিএফ চাপেও সার উৎপাদন সম্ভব হয়," বলেন তিনি।

দিনে ১ হাজার ৭০০ টন উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে যাত্রা করলেও গ্যাসের চাপ কম ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কয়েক বছর ধরে কারখানাটিতে দিনে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টনের মতো সার উৎপাদন হচ্ছিল। ফজলুল হক জানান, এখন কারখানার সবকিছু সচল, আর দিনে এই পরিমাণ উৎপাদন সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে কারখানাটি জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে। কর্মকর্তাদের হিসাবে, স্বাভাবিক গ্যাস থাকলে মাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সার উৎপাদন হয় এবং মুনাফা হয় প্রায় ৬০ কোটি টাকা; আর উৎপাদন বন্ধ থাকলেও যন্ত্রপাতি সচল রাখতে গ্যাস বিল দিতে হয় প্রায় ৬ কোটি টাকা।

কারখানা চালুর খবরে আশপাশে কর্মচাঞ্চল্য ফিরতে শুরু করেছে। খাবার দোকানি বিনয় দত্ত জানান, কারখানা বন্ধ থাকায় তাকে অনেক টাকা ঋণ করতে হয়েছে। ট্রাকচালক শামীম মিয়ার কথায়, কারখানা চালু থাকলে মাসে ২০ থেকে ২৫টি ভাড়া মেলে, বন্ধ থাকায় মিলত মাত্র ২-৩টি। শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম তালুকদার বলেন, উৎপাদন অব্যাহত থাকলে শ্রমিক-কর্মচারীরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন।

সূত্র: নিউজজি২৪

নিউজজি২৪সূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

পশ্চিমবঙ্গে কৃষিযন্ত্র কিনতে ৫০ শতাংশ, সৌরপাম্পে ৬০ শতাংশ ভর্তুকি; ১০০ কিষাণ ড্রোন

রাজ্যের কৃষি দপ্তর ৫০০ যন্ত্র ভাড়াকেন্দ্র, ১,০৮৫ ফার্ম মেশিনারি ব্যাংক ও ১০০ ড্রোনসহ প্রায় ৬৭,৫৮৫ কৃষককে সহায়তার লক্ষ্য নিয়েছে; ৬ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর অনলাইনে আবেদন।

সংবাদ প্রতিদিন৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কুয়াকাটায় খুঁটো জালে ২ কেজির ইলিশ, নিলামে ৭ হাজার ২৫০ টাকা

বাংলার ঘাটসংলগ্ন সাগরে জেলে সোহেল খানের জালে ওঠা ইলিশটি মণপ্রতি ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দরে কিনেছেন এক আড়তদার; বড় ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন পবিপ্রবির এক মৎস্যবিজ্ঞানী।

দেশ রূপান্তর৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

মৌসুম শেষেও বাজারে কাটিমন, কেজি ১৬০ থেকে ৩০০ টাকা; চাষে আগ্রহ বাড়ছে

থাই জাতের বারোমাসি কাটিমন আম বছরে তিন দফা ফল দেয়; ছোট গাছ ঘন করে লাগানো যায়, অফ-সিজনে দাম ভালো, তবে অতিবৃষ্টি ও শীতে মুকুল নষ্টের ঝুঁকি আছে।

এগ্রিকেয়ার২৪৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)