ইসলামপূর্ব যুগে এতিম ও বিধবাদের মৌলিক সামাজিক ও মানবিক অধিকার স্বীকৃত ছিল না। অভিভাবক মারা গেলে অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের সম্পদ দখলের চেষ্টা চলত, আর স্বামীর মৃত্যুর পর নারীর উত্তরাধিকার স্বীকার করা হতো না।
ইসলাম এই অবস্থার অবসান ঘটিয়ে এতিমের অধিকার ও বিধবার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে। সুরা নিসার দ্বিতীয় আয়াতে বলা হয়েছে, এতিমদের প্রাপ্য সম্পদ তাদের বুঝিয়ে দাও, খারাপ মালের সঙ্গে ভালো মাল অদলবদল করো না এবং তাদের সম্পদ নিজেদের সম্পদের সঙ্গে মিশিয়ে গ্রাস করো না, কারণ এটি গর্হিত কাজ। এ নির্দেশনার আলোকে এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
শুধু এতিমের কল্যাণের উদ্দেশ্যে তাদের সম্পদ যৌথ ব্যবসায় খাটিয়ে লাভ আনুপাতিক হারে তাদের দেওয়ার অনুমতি রয়েছে।
যেসব এতিম ও বিধবার পরিবারে উপার্জনক্ষম কেউ নেই, ব্যক্তিগত অনুদান, জাকাত ও ফিতরার মাধ্যমে তাদের পাশে দাঁড়ানোকে বড় সওয়াবের কাজ বলা হয়েছে। হাদিসের বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য বর্ণনায় অসহায় নারী ও এতিমদের পাশে দাঁড়ানোর মর্যাদাকে উচ্চ স্থান দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: দিনাজপুর টিভি


মন্তব্য
(০)