মানুষের জানমাল ও সম্মান রক্ষা, নাগরিকের নিরাপত্তা এবং অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি বাহিনীর কিছু সদস্যের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে ডেইলি বাংলাদেশের ধর্ম পাতায় ইসলামের আলোকে একজন আদর্শ সদস্যের গুণাবলি তুলে ধরা হয়েছে।
প্রথম গুণ ঈমান ও আল্লাহভীতি। সুরা নুরে আল্লাহ ঈমানদার ও সৎকর্মশীলদের ভয়ভীতির বদলে নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোনো চোর মুমিন অবস্থায় চুরি করে না (সহিহ বুখারি, ৬৭৮২)। সুরা আরাফের ৯৬ নম্বর আয়াতে ঈমান ও তাকওয়ার সঙ্গে আসমান-জমিনের কল্যাণের কথা এসেছে।
বাহিনীর সদস্যরা শপথের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেন, আর ইসলামে অঙ্গীকার ও আমানত রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য; সুরা মুমিনুনে সফল মুমিনদের বর্ণনায় আছে, তারা নিজেদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে (আয়াত ৮)।
সচ্চরিত্র অপরিহার্য বলে লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কিয়ামতের দিন মিজানে সচ্চরিত্রের চেয়ে ভারী কিছু হবে না (আবু দাউদ, ৪৭৯৯)। দায়িত্ব পালনে শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার পাশাপাশি বিচক্ষণতা, আত্মসংযম ও চারিত্রিক দৃঢ়তাও দরকার।
লেখায় উয়ুনুল আখবারের বরাতে একটি ঘটনার উল্লেখ আছে, যেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে চারিত্রিক দুর্বলতামুক্ত, ন্যায়পরায়ণ এবং ক্ষমতাবানদের দ্বারা প্রভাবিত নন এমন ব্যক্তির প্রয়োজনের কথা বলা হয় এবং পরে আবদুর রহমান ইবনে উবাইদ তামিমির নাম প্রস্তাব করা হয়। উপসংহারে বলা হয়েছে, যোগ্যতা, আমানতদারি, ন্যায়পরায়ণতা, আত্মসংযম ও নৈতিক দৃঢ়তাই এ দায়িত্বের মূল।
ছবি: Amr Fayez / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.5)
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ





মন্তব্য
(০)