সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৩%বাতাস ১৭ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৮ মিমি

ডিমের কুসুমে রক্তের দাগ, খাওয়া কি নিরাপদ?

ডিম পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার। এটি শুধু শরীরে প্রোটিনের জোগানই দেয় না, বরং ভিটামিন সি ছাড়া প্রায় সব প্রয়োজনীয় ভিটামিন, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পাওয়া যায়।

লাইভস্টক

ডিম পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার। এটি শুধু শরীরে প্রোটিনের জোগানই দেয় না, বরং ভিটামিন সি ছাড়া প্রায় সব প্রয়োজনীয় ভিটামিন, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পাওয়া যায়।

এছাড়া ডিম বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টেরও ভালো উৎস। সহজলভ্য এবং তুলনামূলক কম দামের হওয়ায় প্রায় সব পরিবারের খাদ্যতালিকাতেই ডিমের রেখে থাকেন।

একটি মাঝারি আকারের ডিমে প্রায় ৭৪-৭৭ কিলোক্যালরি শক্তি, ৮ গ্রাম প্রোটিন এবং ৫.২ গ্রাম ফ্যাট থাকে। এছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, বি-কমপ্লেক্স, ভিটামিন বি১২, ফসফরাস, জিংক, লুটেইন ও জিয়াজেনথিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। লুটেইন ও জিয়াজেনথিন চোখের ছানি পড়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে, ফসফরাস হাড় ও দাঁতের গঠনে ভূমিকা রাখে এবং জিংক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ভালো রাখতে সাহায্য করে।

ডিম দিয়ে তৈরি পোচ, অমলেট কিংবা সিদ্ধ ডিম প্রায় সবাই পছন্দ করে। তবে অনেক সময় ডিম ভাঙার পর কুসুমে ছোট লাল রক্তের দাগ দেখা যায়। তখন অনেকেই ভাবেন, এমন ডিম খাওয়া কি নিরাপদ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমের কুসুমে ছোট লাল বা বাদামি দাগ দেখা যাওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ডিম তৈরির সময় মুরগির ডিম্বাশয় বা কুসুমের চারপাশের কোনো ক্ষুদ্র কৈশিক রক্তনালি ফেটে যাওয়া। সেই সামান্য রক্তই পরে কুসুমের সঙ্গে মিশে যায়।

এটি কোনো রোগের লক্ষণ নয় এবং এর অর্থ এই নয় যে ডিমটি নিষিক্ত। অনেকেই ভুল করে মনে করেন, রক্তের দাগ মানেই বাচ্চা হওয়ার ডিম। বাস্তবে এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

কখনো কখনো ডিম্বনালি দিয়ে ডিম যাওয়ার সময় অনেক সময়ই তাতে মাংসের টুকরো বা রক্ত মিশে যায়। এতে শরীরে ক্ষতি করার মতো কিছু থাকে না। খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমের কুসুমে লাল বিন্দু বা রক্তের দাগ থাকলে তা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক নয়, যদি তা ভালো করে রান্না করা হয়।

যদি রক্তের দাগ দেখে অস্বস্তি লাগে, তাহলে একটি চামচের সাহায্যে সেই অংশটি তুলে ফেলে দিয়ে বাকি ডিম রান্না করতে পারেন। তবে ডিম অবশ্যই সম্পূর্ণ সিদ্ধ বা ভালোভাবে ভেজে খেতে হবে।

তবে সব ধরনের রঙের পরিবর্তন কিন্তু নিরাপদ নয়। যদি ডিমের সাদা অংশ (অ্যালবুমিন) গোলাপি, সবুজ বা লালচে হয়ে যায়, তাহলে সেটি খাওয়া উচিত নয়।

এ ধরনের পরিবর্তন অনেক সময় সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে হতে পারে। এই ব্যাকটেরিয়া ডিমের ভেতরে এমন কিছু রঞ্জক পদার্থ তৈরি করে, যা ডিমের রং বদলে দেয় এবং খাদ্য হিসেবে অনিরাপদ করে তোলে। ডিম ভাঙার পর যদি দুর্গন্ধ, অস্বাভাবিক রং বা পিচ্ছিল ভাব দেখা যায়, তাহলে সেটি অবশ্যই ফেলে দেওয়া উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাদা খোলার ডিমের তুলনায় খয়েরি খোলার ডিমে রক্তের দাগ কিছুটা বেশি দেখা যেতে পারে। এর একটি কারণ হলো খয়েরি খোলার রঙের কারণে পরীক্ষার সময় ছোট দাগ অনেক সময় সহজে চোখে পড়ে না। ফলে এমন কিছু ডিম বাজারে চলে আসতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে খয়েরি ডিমের মান খারাপ। সাদা ও খয়েরি, দুই ধরনের ডিমের পুষ্টিগুণ প্রায় একই।

সূত্র: হেলথলাইন, টাইমস অব ইন্ডিয়া

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

ডিম-মুরগির দাম কারসাজিতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি, খামারিরা বলছেন গরমেই উৎপাদন কম

ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্তর ডিম ও মুরগির দাম কারসাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিলেও পোলট্রি উদ্যোক্তারা বলছেন, অতিরিক্ত গরমে উৎপাদন কমাই দাম বাড়ার কারণ।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সিদ্ধ ডিম কতক্ষণের মধ্যে খাওয়া উচিত?

ঝটপট প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে কিংবা সকালের নাশতায় ডিমের জুড়ি নেই। ব্যস্ত সকালে সময় বাঁচাতে অনেকেই একসঙ্গে কয়েকটি ডিম সিদ্ধ করে রাখেন। পরিবারের সবাই খাওয়ার পরও দু-একটি ডিম বেঁচে গেলে তখন প্রশ্ন আসে-সেগুলো কি পরে খাওয়া যাবে? নাকি সিদ্ধ ডিম দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়? সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে সিদ্ধ ডিম ফেলে দেওয়ার

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

কলম্বিয়ার নতুন আইনে গবাদিপশুর বাণিজ্য বাঁধা পড়ল বন পর্যবেক্ষণে

২০২৬ সালের ৪ জুন কার্যকর হওয়া লেই ২৫৮৫ কলম্বিয়ার গবাদিপশুর ট্রেসেবিলিটিকে বন পর্যবেক্ষণ ও ভূমির নথির সঙ্গে যুক্ত করেছে; আইনের তিনটি অনুচ্ছেদ গড়ে উঠেছে অ্যালায়েন্স অব বায়োভার্সিটি ইন্টারন্যাশনাল ও সিআইএটি-র কাজের ওপর ভিত্তি করে।

CGIAR১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()