বসন্তে বাচ্চা দেওয়া গাভির দুধের মৌসুম শেষ পর্যায়ে; ব্যয়বহুল শীত শুরুর আগে খামারিরা উৎপাদন স্থির রাখতে চান। এই সময়ে নিজের খামারের দুধ কেমন হওয়া উচিত, তার জাতীয় মাপকাঠি দিচ্ছে আইরিশ ক্যাটল ব্রিডিং ফেডারেশন (Irish Cattle Breeding Federation, আইসিবিএফ)-এর দুধ রেকর্ডিং তথ্য।
আইসিবিএফের সর্বশেষ হিসাবে ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত ১১,১৯,৯৪৯টি গাভির দুধ রেকর্ড হয়েছে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের ১১,২৮,৪৬৭টির চেয়ে ০.৮ শতাংশ কম। এ বছর ৮,৯০২টি খামার অন্তত একবার দুধ রেকর্ডিং সম্পন্ন করেছে; গত বছর প্লাউয়িং চ্যাম্পিয়নশিপের সপ্তাহ পর্যন্ত সংখ্যাটি ছিল ৯,০৬৯।
৮ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১,১২৮টি খামার রেকর্ডিং করেছে, গাভির সংখ্যা ১,২৩,৫৪৪, খামারপ্রতি গড়ে ১১০টি। এসব খামারে গাভিপ্রতি গড় দৈনিক দুধ ১৯.১৬ কেজি, ফ্যাট ৪.৬১ শতাংশ ও প্রোটিন ৩.৮৬ শতাংশ—অর্থাৎ দিনে গাভিপ্রতি প্রায় ১.৬২ কেজি দুধের কঠিন উপাদান (milk solids)।
গত দশ দিনে রেকর্ডিং করা খামারগুলোর গড় সোমাটিক সেল কাউন্ট (SCC) ১,৮৭,০০০ কোষ/মিলি। কয়েক সপ্তাহ ধরে সংখ্যাটি ধীরে ধীরে বাড়ছে বলে অ্যাগ্রিল্যান্ড জানিয়েছে, এবং মৌসুমের শেষ দিকে খামারিদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
দুধ রেকর্ডিংয়ে গাভিপ্রতি বছরে প্রায় ১২ ইউরো খরচ হয় এবং শ্রমিক-সংকটের সময়ে দোহনের রুটিনে ব্যাঘাত ঘটে। তবে প্রতিবেদনের যুক্তি, এতে প্রতিটি গাভির সেল কাউন্ট নিয়মিত নজরে থাকে, বারবার সমস্যা করা গাভি চিহ্নিত হয়, খামারের এসসিসি কমে ও দুধের দাম ভালো মেলে, আর ম্যাস্টাইটিস নিয়ন্ত্রণের সারসংক্ষেপ পাওয়ায় প্রজনন ও বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তথ্যনির্ভর হয়।
প্রতিবেদনটি অ্যাগ্রিল্যান্ডের জন্য লিখেছেন ক্যাথাল ও'শেই (Cathal O'Shea)।
সূত্র: Agriland




মন্তব্য
(০)