২০০০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ভারতের বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় চার গুণ হয়েছে, আর এর প্রায় ৭৬ শতাংশ কয়লা থেকে আসায় শহরে বায়ুদূষণ ও এর কারণে মৃত্যু দ্রুত বেড়েছে, বলছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসুদেব স্বাইনের নেতৃত্বে নেচার সিটিজ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা।
শহরের বাতাসে ভাসমান কণার পরিমাণ দ্বিগুণের বেশি হয়েছে; অতি সূক্ষ্ম কণা (পিএম২.৫) জনিত আনুমানিক শহুরে মৃত্যু ২০০০ সালের প্রায় ৬ লাখ ৭০ হাজার থেকে ২০২০ সালে প্রায় ৮ লাখ ৭০ হাজারে পৌঁছেছে, প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি, যদিও পরিচ্ছন্ন রান্নায় ঘরের দূষণ কমেছে। কয়লা থেকে আসা সালফেট শহুরে কণার সবচেয়ে বড় উৎস হয়ে উঠেছে, অংশ ৩৫.৫ থেকে ৪৬.৪ শতাংশ। ২০০০ সালের আগে দেশে কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্র ছিল ৭১টি, ২০২৪ সালে ২৫৩টি, বেশির ভাগ গঙ্গা অববাহিকার সমভূমিতে।
চাহিদা বাড়তে থাকায় ফলাফলটি গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার হিসাবে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালে ভারতের বার্ষিক বিদ্যুৎ ব্যবহার ৫৭০ টেরাওয়াট-ঘণ্টার বেশি বাড়বে, তবে বায়ু ও সৌরবিদ্যুতের অংশ ১৪ থেকে বেড়ে ২৪ শতাংশ হবে। ২০২৫ সালে ভারী বর্ষার কারণে জলবিদ্যুৎ বাড়ায় কয়লাবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায় ৩ শতাংশ কমেছিল।
ছবি: Ramilarora / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ডাউন টু আর্থ





মন্তব্য
(০)