প্রস্তুতকারক যে দামে খুচরা বিক্রেতাকে ক্যানসারের ওষুধ দিচ্ছে, তার তুলনায় রোগীর জন্য ছাপা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ১০ গুণ বেশি, এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের জবাব চেয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। খবরটি দিয়েছে সংবাদ প্রতিদিন।
ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক প্রেসক্রিপশন এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একটি মামলা ওঠে বিচারপতি নাথ ও বিচারপতি মেহতার বেঞ্চে। শুনানিতে সামনে আসে, খুচরা বিক্রেতারা যে ক্যানসারের ওষুধ ২ হাজার ৭০০ রুপিতে কিনছেন, তার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২৭ হাজার রুপি পর্যন্ত। বেঞ্চ একে ‘ধ্বংসযজ্ঞ’ বলে প্রশ্ন তোলে, ‘দশ গুণ মূল্যবৃদ্ধি কেন? এই বিপুল টাকা কোথায় যায়? এতে কার লাভ হচ্ছে?’
বিচারপতিরা পর্যবেক্ষণ দেন, করপোরেট হাসপাতালগুলো প্রায়ই রোগীদের নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করে, আর আয়ুষ্মান ভারতের মতো সরকারি প্রকল্পে চিকিৎসা হলে এই বাড়তি খরচ শেষ পর্যন্ত করদাতাদের বইতে হয়। কোনো ওষুধকে আলাদা করে অত্যাবশ্যকীয় বলা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত: ওষুধ মাত্রই অত্যাবশ্যকীয় হলে সব ক্ষেত্রে লাভের মার্জিন ১৬ শতাংশে বেঁধে দেওয়া যাবে না কেন?
কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বিচারপতিদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়ে জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের বক্তব্য জানানো হবে। দুই বিচারপতি একমত হয়েছেন, ক্যানসারসহ সব ওষুধে লভ্যাংশের নিয়ম এক হওয়া উচিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্র একাধিকবার বাজেটে ক্যানসারের ওষুধের দাম কমালেও বাস্তবে ক্রেতার অভিজ্ঞতা ভিন্ন। প্রতিবেদনটি লিখেছেন কিশোর ঘোষ।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন



মন্তব্য
(০)