সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ৯ কিমি/ঘ

মুসলিম আইনে মা সন্তানের আইনগত অভিভাবক নন, হেফাজতকারী

দিলরুবা শরমিন, ফেসবুক থেকে, মুসলিম আইনে মা সন্তানের আইনগত অভিভাবক নন; আইনগত অভিভাবক বাবা। মা শুধু জিম্মাদার বা হেফাজতকারী।“মা কিন্তু গার্ডিয়ান না, মাকে অভিভাবক হিসেবে ধরা হয় না,

দিলরুবা শরমিন, ফেসবুক থেকে, মুসলিম আইনে মা সন্তানের আইনগত অভিভাবক নন; আইনগত অভিভাবক বাবা। মা শুধু জিম্মাদার বা হেফাজতকারী।“মা কিন্তু গার্ডিয়ান না, মাকে অভিভাবক হিসেবে ধরা হয় না, মা হচ্ছে বাচ্চার কাস্টোডিয়ান বা হেফাজতকারী।” “ছেলে সন্তানের ক্ষেত্রে যে সাত বছর সে মায়ের কাছে থাকবে তখন সে বাবার সাথে

দেখা-সাক্ষাত করতে পারবে।মেয়ে সন্তানের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত সে মায়ের হেফাজতে থাকবে। এসময় বাবা তার সাথে দেখা করতে পারবেন।এই সময়ের পর সন্তানদের তার বাবা চাইলে নিয়ে যেতে পারে।তবে নির্দিষ্ট বয়সের পরও সন্তানের জিম্মাদারি যদি কোন মা রাখতে চান তাহলে সেক্ষেত্রে তাকে আদালতে আবেদন করতে হবে।” অনেক সময় দেখা যায় যে, তালাক হলেও যদি বাবা-মায়ের মধ্যে তেমন সমস্যা বা বিতর্ক না থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে সন্তানদেরকে যৌথ হেফাজতে দেয়া হয়। অর্থাৎ বাবা কিংবা মা দুজনেই চাইলে সন্তানদের রাখতে পারেন।”“সেক্ষেত্রে হয়তো মায়ের কাছে চার দিন আর বাবার কাছে তিন দিন বা তাদের সুবিধা মতো থাকতে পারে।”তবে জিম্মাদারি বা হেফাজত নিয়ে যদি বিতর্ক তৈরি হয় তাহলে নির্দিষ্ট সময়ের পর অর্থাৎ ছেলে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সাত বছর আর মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও যদি মা নিজের হেফাজতে রাখতে চান, তখন তাকে আলাদাভাবে আদালতে আবেদন করতে হবে।এ ধরনের আবেদনের পর আদালত যে বিষয়টি বিবেচনায় নেয় সেটি হচ্ছে, সন্তানের কল্যাণের জন্য যেটা সবচেয়ে ভাল, সেটিই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে আদালত।আদালত সাধারণত চায় যে, হেফাজতের ক্ষেত্রে বাবা-মা দুজনেই থাকুক। তবে ধরে নেয়া হয় যে, মায়ের কাছেই সন্তানরা সবচেয়ে বেশি ভাল থাকবে।তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, মা যদি আর্থিকভাবে সচ্ছল না হয়, বা তার যদি আয় না থাকে তাহলে সেটি মামলাকে দুর্বল করে তোলে।“কোর্ট এখানে অনেক কিছুকে

বিবেচনায় নেয়। যেমন ফাইনান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি সেটা বাবা-মা যার কাছেই থাকুক না কেন, এছাড়া অন্যান্য বিষয় যেমন ড্রাগ ইস্যুও বিবেচনায় নেয়া হয়,”বাবা-মায়ের মধ্যে যদি কারো বিরুদ্ধে গুরুতর কোন অভিযোগ থাকে যেমন মাদকাসক্ত হওয়া কিংবা অপরাধমূলক কোন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ, তাহলে আদালত কখনোই তার কাছে সন্তানের জিম্মাদারি দিতে চায় না।“যার কাছে থাকলে সন্তানের সর্বোচ্চ কল্যাণ হবে তার কাছে থাকারই অনুমোদন দেয় আদালত।”তবে সন্তান বাবা কিংবা মা- যার সাথেই থাকুক না কেন, অপরপক্ষকে সন্তানের সাথে দেখা করা ও সময় কাটানোর অনুমোদন দেয়া হয় আদালতের পক্ষ থেকে। তবে এক্ষেত্রেও তার বিরুদ্ধে মারাত্মক কোন অভিযোগ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হয়।গুরুতর অভিযোগ না থাকলে সপ্তাহে দুই দিন বা তিন দিন দেখা করতে পারে।তবে দেখা করার অনুমোদন থাকলেও যদি বাবা কিংবা মাকে দেখা করতে না দেয়া হয় তাহলে যাকে দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না সে আবার বিষয়টি নিয়ে আদালতে যেতে পারেন।

আমাদেরসময়.কমসূত্র

ইসলাম

সম্পর্কিত খবর

ইসলাম

প্রবীণদের সম্মান ও যত্ন ঈমানি দায়িত্ব: কোরআন ও হাদিসের শিক্ষা

সুরা আল-ইসরার ২৩ নম্বর আয়াতে বার্ধক্যে পৌঁছানো মা-বাবাকে ‘উহ্’ পর্যন্ত না বলার নির্দেশ এসেছে; প্রবীণদের খোঁজ নেওয়া, পাশে বসা আর পরামর্শ নেওয়াকে ঈমানি দায়িত্ব বলছে আওয়ার ইসলাম।

আওয়ার ইসলাম১ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ইসলাম

সুখী দাম্পত্যের জন্য কোরআন ও হাদিসের পাঁচ শিক্ষা

এক ঘরে থেকেও স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন; সুরা রুম, সুরা নিসা, সুরা বাকারা আর মহানবী (সা.)-এর হাদিস ধরে পারিবারিক সম্পর্ক দৃঢ় করার পাঁচটি উপায় তুলে ধরেছেন মুহাম্মাদ মুহসিন মাশকুর।

প্রথম আলো১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ইসলাম

কোরআন বুঝতে কেন হাদিস অপরিহার্য

নামাজ, রোজা, জাকাত আর হজের বিস্তারিত নিয়ম কোরআনে নয়, মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহয়; আয়াতের প্রেক্ষাপট বুঝতেও হাদিস লাগে, তাই কোরআনকে তাত্ত্বিক রূপ আর হাদিসকে তার প্রয়োগিক ব্যাখ্যা বলা হয়।

সারাবাংলা১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)