সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস কিমি/ঘ

হাঁসের প্লেগ রোগ হলে প্রতিকার করবেন যেভাবে

আমাদের দেশে বেশ আগে থেকেই বাণিজ্যিকভাবে হাঁস পালন করা হচ্ছে। তবে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাঁস মারা যাচ্ছে। হাঁসের এসব রোগের অন্যতম হচ্ছে প্লেগ। এটি হাঁসের একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এ রোগকে ডাক ভাইরাস এন্টারাইটিসও বলা হয়।

লাইভস্টক

আমাদের দেশে বেশ আগে থেকেই বাণিজ্যিকভাবে হাঁস পালন করা হচ্ছে। তবে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাঁস মারা যাচ্ছে। হাঁসের এসব রোগের অন্যতম হচ্ছে প্লেগ। এটি হাঁসের একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এ রোগকে ডাক ভাইরাস এন্টারাইটিসও বলা হয়।

১৯২৩ সালে বাউডেট নামে এক বিজ্ঞানী নেদারল্যান্ডে হাঁসের মড়ক হিসেবে চিহ্নিত রোগটি প্রথম আবিষ্কার করেন। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই হাঁসের প্লেগ রোগ দেখা যায়। প্রাকৃতিক নিয়মেই সব বয়সী গৃহপালিত ও বন্যহাঁস, রাজহংসী এই ভাইরাসের প্রতি সংবেদনশীল।

আক্রান্ত পাখির সংস্পর্শে, দূষিত খাদ্যদ্রব্য ও পানির সাহায্যে সুস্থ পাখিতে এ রোগের ভাইরাস সংক্রমিত হয়। আমাদের দেশে হাট-বাজারে রুগ্ন হাঁস কেনা-বেচার মাধ্যমে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় এ রোগটি ছড়ায়। আবার কীট-পতঙ্গের মাধ্যমেও এ রোগের জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। তবে ডিমের মাধ্যমে রোগের সংক্রমই হয় না।

প্লেগ রোগের লক্ষণ বোঝার অনেক উপায় আছে। আক্রান্ত হাঁসের ক্ষুধা কমে যায়। কিন্তু বারবার পানি পান করে। চোখ ও নাক দিয়ে তরল পদার্থ নিঃসৃত হয়। আলো দেখলে ভয় পায়। চোখের ঝিল্লির প্রদাহের কারণে চোখ বন্ধ করে রাখে। ডিম পাড়া হাঁসের ডিম দেয়া কমে যায়। মাথা নিচু করে রাখে।

চলাফেরায় অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়। আক্রান্ত পাখিতে ডায়রিয়া হয়। পাতলা পায়খানা লেজের আশেপাশে লেগে থাকে। এ রোগে আক্রান্ত হাঁসের হঠাৎ করে মৃত্যু হয়। এ রোগে ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী বয়স্ক হাঁসেরও মৃত্যু ঘটে। মৃত্যুহার ৫ থেকে ১০০% হয়ে থাকে।

চিকিৎসা হিসেবে রোগাক্রান্ত হাঁসের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যাকটিরিয়ার সংক্রামণ থেকে রক্ষা করার জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এন্টিবায়োটিক যেমন, এনরোফ্লক্সাসিন, নরফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ইত্যাদির যেকোনো একটি দিয়ে চিকিৎসা করা যেতে পারে।

ভাইরাসজনিত রোগের কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তাই রোগ যাতে না হয় সেজন্য হাঁসকে টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে ফার্মের হাঁস প্লেগ রোগ থেকে রক্ষা পাবে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

দেশের একমাত্র সরকারি মহিষ প্রজনন খামারে ২৮০ মহিষ, ৫২ পদের ৪২টি শূন্য—৪২ বছরেও নেই ভেটেরিনারি সার্জনের পদ

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ৯৫ একরের খামারে ৪৪টি মহিষ থেকে দিনে প্রায় ১৩০ লিটার দুধ, কেজি ৭০ টাকায় খামার থেকেই বিক্রি; ১৯৮৪-৮৫ সালে এডিবির অর্থায়নে ১১১ মহিষ ও ৫০ জনবলে যাত্রা; ২০২৪-২৫-এ ১০১ খামারিকে ১৪১টি বাছুর বিতরণ, রাজস্ব খাতে কর্মরত মাত্র ১০ জন।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

দাকোপে হাজার হাঁসের খামারে দিনে ৭০০ ডিম, মাসে ২৫–৩০ হাজার টাকা আয়—২৩ বছরের পল্লবের পথে উপজেলায় এখন ২২০ খামার

খুলনার দাকোপের বাজুয়া চাড়ারধার গ্রামে এইচএসসি পাস পল্লব গাইন বাবার সঙ্গে প্রায় ১,০০০ হাঁস ও চারটি উন্নত জাতের গরুর খামার চালান; ডিম গড়ে ১৫ টাকা, হাঁসপ্রতি লালনপালনে ৪৫০ টাকা; প্রাণিসম্পদ বিভাগের হিসাবে উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় ২২০টি হাঁসের খামার, নারীদের পছন্দ পেকিন জাত।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

শরতে ঘাসের জমি নতুন করে বুনলে ফলন দ্বিগুণ, বসন্তের গোখাদ্য সংকট কমবে — পুষ্টিবিদের পরামর্শ

শুকনো গ্রীষ্মের পর বহু দুগ্ধখামার এরই মধ্যে সংরক্ষিত গোখাদ্য খাওয়াচ্ছে; Massey Harpers Feeds (ম্যাসি হার্পার্স ফিডস)-এর Imogen Ward (ইমোজেন ওয়ার্ড) বলছেন, নতুন ঘাসের জমি হেক্টরে ১৫.৫ টন শুষ্ক পদার্থ দেয়, পুরোনো জমি ৭ টন — প্রতি বাড়তি টন মানে প্রায় ২,০০০ লিটার দুধ বা ২৩৪ কেজি মাংস।

The Scottish Farmer১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()