সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস কিমি/ঘ

খামারকে মাছিমুক্ত রাখার উপায়

মুরগির খামারে মাছির কারণে বিভিন্ন ধরনের রোগ-জীবাণু ছড়ায়। অনেক সময় এতে অনেক মুরগি মারা যায়। বিভিন্ন কারণে খামারে মাছির উপদ্রব দেখা দেয়। মাছি ১৬-৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় বেশি বংশবৃদ্ধি করতে পারে। ১২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রার নিচে এদের বংশবৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্

মৎস্য

মুরগির খামারে মাছির কারণে বিভিন্ন ধরনের রোগ-জীবাণু ছড়ায়। অনেক সময় এতে অনেক মুরগি মারা যায়। বিভিন্ন কারণে খামারে মাছির উপদ্রব দেখা দেয়। মাছি ১৬-৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় বেশি বংশবৃদ্ধি করতে পারে। ১২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রার নিচে এদের বংশবৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এরা সক্রিয় হয় এবং বংশবৃদ্ধি ঘটায়। তবে ৪৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের উপর তাপমাত্রায় মাছির ডিম ও লার্ভা মারা যায়।

খামারে মাছির উপদ্রবের জন্য লিটার অব্যবস্থাপনা অনেকাংশে দায়ী। যেমন, ভেজা, স্যাঁতস্যাতে লিটার, দলা পাকানো লিটার ও পুরাতন লিটার খামারের পাশে রাখা। অন্যদিকে পূর্বের ফ্লকের লিটার নতুন ফ্লকে ব্যবহার করা। লিটার ট্রিটমেন্ট না করে ব্যবহার করা। নিয়মিত লিটার উলোট-পালোট না করা। বাতাসে অত্যাধিক আদ্রর্তা থাকা। বিশেষ করে বর্ষাকালে বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকার কারণে লিটার সহজেই স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যায়। যা মাছি উৎপাদনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে।

এ ছাড়াও খামারের কাছাকাছি পচনশীল বস্তু থাকলে যেমন, মরা মুরগি খামারের কাছাকাছি ফেলে রাখলে, বিভিন্ন ফলের খোসা, ফলের অবশিষ্টাংশ খামারের কাছাকাছি ফেললে মাছির উপদ্রব বেড়ে যায়। মুরগির পায়খানা নিয়মিত পরিষ্কার না করলে। মুরগি পাতলা পায়খানা করলে খামারে মাছি বেড়ে যায়। কক্সিডিওসিস হলেও খামারে মাছি বেড়ে যেতে পারে।

এজন্য জেনে নিতে হবে মাছির উপদ্রব হলে তাড়ানোর জন্য যেসব পদক্ষেপ নিতে হবে। লিটার পরিষ্কার ও শুকনো রাখতে হবে। ভেজা বা স্যাঁতস্যাঁতে লিটার দ্রুত পরিবর্তন করতে হবে। মৃত মুরগি খামার থেকে দূরে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। মুরগির পায়খানা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। খামারের চারপাশ পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখতে হবে। এবং নিয়মিত চুন, ব্লিচিং পাউডার ও জীবাণুনাশক ব্যবহার করতে হবে।

খামারে মাছির উৎস খুঁজে বের করতে হবে এবং তা ধ্বংস করতে হবে। পূর্বের ব্যাচের লিটার খামারে আশে পাশে না রেখে দূরে কোথাও ফেলে আসতে হবে।

খামারের চারপাশে তারপিন তেল স্প্রে করা যেতে পারে। এটা মাছি তাড়াতে সাহায্য করবে। ইনসেক্টিসাইড সম্বলিত বিভিন্ন প্রিপারেশন পাওয়া যায় এগুলো নির্দিষ্ট মাত্রায় খামারের চারপাশে ছিটিয়ে দিলে মাছি (প্রাপ্তবয়স্ক) মারা যায়।

এছাড়া সাইরোমাজিন সম্বলিত বিভিন্ন প্রিপারেশন আছে যেগুলো খাদ্যের সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। এগুলো ব্যবহার করলে মাছির ডিম ও লার্ভা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এছাড়া লিটারে অ্যামোনিয়া রিডিউসারও ব্যবহার করতে পারেন। এতে কিছুটা হলেও মাছির উপদ্রব কমে। মুরগির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে খামার মাছিমুক্ত রাখতে হবে।

এমএমএফ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ডুমুরিয়ায় ২০ প্রজাতির রঙিন মাছের হ্যাচারি, অল-মেল গলদা ও ঘেরের আইলে সবজি—রাহুলের সমন্বিত খামারে বছরে ১৫–২০ লাখ টাকা মুনাফা

খুলনার বান্দা গ্রামে ‘বিশ্বাস এগ্রো প্রজেক্ট ও মৎস্য হ্যাচারি’তে তিন হাউস ও ছয় পুকুরে মলি, গাপ্পি, গোল্ডফিশ, অ্যাঞ্জেল, কৈ-কার্পসহ প্রায় ২০ প্রজাতির পোনা, জোড়া বা পিস ২০–২০০ টাকা, খালিশপুর থেকে কাটাবন পর্যন্ত ক্রেতা; ১৬ বিঘায় ৯ পুকুরের ৮টিতে অল-মেল গলদা, ছয়জনের কর্মসংস্থান।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

ঘাসি নদীর ইজারা নিয়ে মধ্যনগরে মৎস্যজীবী সমিতির অভিযোগ, ক্ষতি পাঁচ লাখ টাকার শঙ্কা

সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে তিন বছরের জন্য ইজারা নেওয়া ঘাসি নদীর দ্বিতীয় খণ্ডের একটি অংশ দখলের চেষ্টা ও চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে মাছ ধরে নেওয়ার অভিযোগ এনে ইউএনওর কাছে ই-মেইলে অভিযোগ দিয়েছে হামিদপুর বন্ধন মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি।

সমকাল১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

তালায় দুই বিঘার হ্যাচারিতে রেখা রানীর কার্প পোনা, প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী ৫০ খামারি—পোনার জন্য আর যশোর যেতে হয় না

সাতক্ষীরার তালার খলিলনগর ইউনিয়নের বয়ারসিং গ্রামে সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থার (এসইউএস) প্রশিক্ষণে আধুনিক পদ্ধতিতে সাদা মাছের পোনা উৎপাদন করছেন রেখা রানী মণ্ডল; পিকেএসএফ-সমর্থিত প্রকল্পে উপজেলার অর্ধশতাধিক খামারি স্বনির্ভর, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের পোনা আনতে যশোর যাওয়ার খরচ ও ঝুঁকি কমেছে।

বাসস১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()