খামার বাড়ানোর উপায় নিয়ে ব্যাংকারের সঙ্গে এক আলাপ থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কার ক্লে সেন্টারের ওয়াল্ট ও শেলি ট্রাউট (Walt and Shelli Traudt) শস্যচাষি থেকে প্রথম প্রজন্মের শূকর খামারি হয়ে ওঠেন। এক দশকের বেশি সময় পর শূকর রাখার সবচেয়ে বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তার সার—জানাচ্ছে ফার্ম প্রোগ্রেস।
ওয়াল্ট ২০০১ সালে খামারের দায়িত্ব নেন; ২০১২ সালে শেলি পূর্ণকালীন খামারে যোগ দিলে বপন ও ফসল কাটার বাইরের মাসগুলো কাজে লাগানোর পথ খোঁজেন তাঁরা। ওয়াল্টের স্বীকারোক্তি, শূকর ছয় মাসের কাজের ওপর বারো মাসের কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে—তাঁর কথায় 'বারো মাসে আঠারো মাসের কাজ'—তবে দুধ ছাড়ানো থেকে মোটাতাজাকরণ পর্যন্ত এই ব্যবস্থা পরিবারের আয়ে বৈচিত্র্য এনেছে, ঝুঁকিও ভাগ করেছে।
শুরুতে বছরে প্রায় ৮,০০০ শূকর মোটাতাজা করতেন তাঁরা—সার হতো প্রায় ৪৫০ একরের। ফিডার শূকরে যাওয়ার পর সংখ্যা ১১ থেকে ১২ হাজার, সার পড়ে ৫৫০ একরে। ওয়াল্টের হিসাবে, শূকরের সার তাঁদের বাণিজ্যিক সারের বিল সম্ভবত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কমিয়েছে।
এক প্রয়োগে দুই ফসল: সারের পর বোনা ভুট্টা নেয় নাইট্রোজেন, তার পরের সয়াবিন নেয় ফসফরাস—আবর্তনে আর কিছু দিতে হয় না, মাটির ভারসাম্যও থাকে। পরিবারটি মাটি ও সার দুটোই পরীক্ষা করে, মাটির নমুনা থেকে প্রয়োগের মানচিত্র আঁকে এবং আট-সারির পরিবর্তনশীল-হার যন্ত্রে প্রতিটি সারিতে সমান প্রবাহে সার ছড়ায়।
সবচেয়ে বড় লাভ দেখা যাচ্ছে সেচ-পিভটের বাইরের শুকনো কোণগুলোতে। সারের জৈব পদার্থ সেখানে মাটির পানি ধারণক্ষমতা বাড়িয়েছে; ওয়াল্ট বলছেন, ওই কোণে ভুট্টা ও সয়াবিনের ফলন প্রতি বছর বাড়ছে, পিভটের নিচেও সুফল মিলছে।
শূকর পালন তাঁরা শিখেছেন ইন্টিগ্রেটরকে প্রশ্ন করে আর হাজারো ভালো শূকরের মধ্যে কোনটি আলাদা তা মিলিয়ে দেখে। ওয়াল্ট পরে নেব্রাস্কা পোর্ক প্রোডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হন; তাঁর কথায়, লিংকনে গৃহহীনদের একটি জোটের কাছ থেকে সমিতির হয়ে পুরস্কার নেওয়া—যেখান থেকে ছয় ব্লক দূরে তিনি বড় হয়েছেন—তাঁকে দেখিয়েছে শূকরের মাংস শেষ পর্যন্ত কার কাজে লাগে।
সূত্র: Farm Progress





মন্তব্য
(০)