সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৯%বাতাস কিমি/ঘ

ধান ও পোল্ট্রিকে অগ্রাধিকার দিয়ে গিনির অ্যাগ্রিকানেক্ট কম্প্যাক্ট

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সঙ্গে কোনাক্রিতে চালু হওয়া কম্প্যাক্টে আমদানি কমাতে ধান ও পোল্ট্রি, উপকরণ হিসেবে ভুট্টা ও সয়াবিন এবং রপ্তানির জন্য ফনিও ও আমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে; ২০৩০ সালের মধ্যে লক্ষ্য কয়েক লাখ কর্মসংস্থান।

এগ্রোবিজ

গিনি সরকার ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল কোনাক্রিতে ‘গিনি অ্যাগ্রিকানেক্ট কম্প্যাক্ট’ চালু করেছে। এই কৌশলগত কাঠামোর লক্ষ্য দেশটির কৃষি-খাদ্যব্যবস্থার টেকসই রূপান্তর ত্বরান্বিত করা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদার করা, শোভন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নের চালিকাশক্তি হিসেবে দাঁড় করানো।

কম্প্যাক্টটি ‘২০৪০ সিমান্দু এজেন্ডা’র সঙ্গে সংগতিপূর্ণ, যার প্রথম স্তম্ভে কৃষি ও প্রাণিসম্পদকে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, রপ্তানি ও কর্মসংস্থানের মূল চালক ধরা হয়েছে। এতে সরকারের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের তিন অঙ্গ—আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ), আন্তর্জাতিক অর্থ করপোরেশন (আইএফসি) ও বহুপক্ষীয় বিনিয়োগ গ্যারান্টি সংস্থা (মিগা)—এবং কারিগরি ও আর্থিক অংশীদার, বেসরকারি খাত ও উৎপাদক সংগঠনগুলো যুক্ত। তিনটি অগ্রাধিকার এক সুতোয় বাঁধা হয়েছে: গ্রামীণ অবকাঠামো, সরকারি সংস্কার ও বিনিয়োগ, এবং বেসরকারি অর্থায়ন সংগ্রহ।

মূল্যশৃঙ্খল সুনির্দিষ্ট। খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে সবার আগে ধান ও পোল্ট্রি; তার সঙ্গে কৌশলগত উপকরণ—মূলত খাদ্য হিসেবে—ভুট্টা ও সয়াবিন। বৈচিত্র্য ও রপ্তানির সম্ভাবনাময় শৃঙ্খল হিসেবে কম্প্যাক্ট সমর্থন দেবে ফনিও ও আমকে।

২০৩০ সালের মধ্যে কম্প্যাক্টের লক্ষ্য: খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি; কৃষি ও কৃষি-খাদ্য মূল্যশৃঙ্খলে কয়েক লাখ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান, বিশেষত তরুণ ও নারীদের জন্য; ধান ও পোল্ট্রিপণ্যের মতো প্রধান খাদ্যের আমদানিনির্ভরতা হ্রাস; এবং ফনিও ও আমের রপ্তানি সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার।

গিনিতে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের আবাসিক প্রতিনিধি ইসা মারে দিয়াও বলেন, ‘অ্যাগ্রিকানেক্ট বিশ্বব্যাংক গ্রুপের হাতিয়ারগুলো—আইডিএ, আইএফসি ও মিগা—আরও ভালোভাবে সমন্বয়ের সুযোগ দেয়, যাতে গিনির কৃষির গভীর রূপান্তরে সহায়তা করা যায়।’ সংস্কার, সরকারি বিনিয়োগ ও বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা মিলিয়ে উৎপাদনশীল, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃষি-খাদ্যব্যবস্থা গড়াই লক্ষ্য বলে তিনি জানান।

কৃষিমন্ত্রী আমিনাতা কাবা বলেন, ‘অ্যাগ্রিকানেক্ট কম্প্যাক্টের মাধ্যমে গিনি কৃষিকে অর্থনৈতিক রূপান্তরের কেন্দ্রীয় স্তম্ভ হিসেবে দাঁড় করানোর পথে এক দৃঢ় পদক্ষেপ নিল, যা সরাসরি সিমান্দু করিডরের সুযোগের সঙ্গে যুক্ত।’ প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ফেলিক্স লামা জানান, কম্প্যাক্ট উৎপাদকদের সক্ষমতা বাড়াবে, ভুট্টা ও সয়াবিনের মতো জরুরি উপকরণে প্রবেশাধিকার সহজ করবে এবং পোল্ট্রিসহ প্রাণিসম্পদ মূল্যশৃঙ্খলকে আরও দক্ষ করবে। অর্থ, অর্থনীতি ও বাজেটমন্ত্রী মারিয়ামা সিরে সিলা একে সিমান্দু ২০৪০ কর্মসূচি ও জাতীয় অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য এজেন্ডার সঙ্গে যুক্ত করেন।

গিনির একজন ধানচাষি বা পোল্ট্রি খামারির জন্য কম্প্যাক্টের প্রতিশ্রুতি হলো বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের বদলে সরকারি অবকাঠামো, নীতি পরিবর্তন ও বেসরকারি অর্থের একটি সমন্বিত ধারা। অ্যাগ্রিকানেক্ট বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বৈশ্বিক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ৩০ কোটি ক্ষুদ্র কৃষককে তাঁদের ফসল থেকে বেশি আয়ে সহায়তা করা; এতে অংশীদার হিসেবে আছে আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক, আইএফএডি, আন্তঃআমেরিকান উন্নয়ন ব্যাংক, বায়ার ও গুগল।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক

worldbankদা এগ্রো নিউজ

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাম্পার ফলনেও লোকসানের হিসাব কষছেন চাষীরা

ধান-চালে সমৃদ্ধ উত্তরের জেলা নওগাঁয় আউশ ধান কাটা মাড়াইয়ে ব্যস্ততা বেড়েছে চাষীদের। অনুকূল আবহাওয়ায় কাঙ্খিত ফলন পেয়ে খুশি তারা। তবে কৃষকের মুখের সেই হাসি মুহূর্তেই ম্লান হয়ে যাচ্ছে দামের কারণে।

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
মৎস্য

ইলিশের উল্টো যাত্রা

একসময় গল্পটা ছিল উল্টো। পদ্মা-মেঘনার ইলিশ সীমান্ত পেরিয়ে যেত পশ্চিমবঙ্গের বাজারে। কলকাতার বাঙালির কাছে বাংলাদেশের ইলিশ ছিল বিশেষ আকর্ষণের নাম। দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশের ইলিশ ভারতে যাওয়ার খবর নিয়ে সংবাদমাধ্যমে উৎসবের আবহ তৈরি হতো। আর এখন সেই গল্পে যেন হঠাৎ উল্টো পাতা খুলেছে। ভারত থেকে ইলিশ আসছে বাংল

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৭ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

সাধারণ মানুষও কিনতে পারবেন টিসিবির ‘ঐচ্ছিক পণ্য’

টিসিবির নতুন নির্দেশিকায় আগের মতো ফ্যামিলি কার্ডধারীরা প্রতি মাসে পাবেন ভোজ্যতেল, চিনি ও ডাল। রমজানে বাড়তি মিলবে খেজুর ও ছোলা। তবে এর বাইরেও সুগন্ধি সাবান, গুঁড়ো সাবান, লন্ড্রি সাবান, লবণ, চা, আটা ও মসলা থাকবে 'ঐচ্ছিক পণ্য' হিসেবে। অর্থাৎ কার্ডধারী ছাড়াও যে কেউ এসব পণ্য কিনতে পারবেন।

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()