সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

সাধারণ মানুষও কিনতে পারবেন টিসিবির ‘ঐচ্ছিক পণ্য’

টিসিবির নতুন নির্দেশিকায় আগের মতো ফ্যামিলি কার্ডধারীরা প্রতি মাসে পাবেন ভোজ্যতেল, চিনি ও ডাল। রমজানে বাড়তি মিলবে খেজুর ও ছোলা। তবে এর বাইরেও সুগন্ধি সাবান, গুঁড়ো সাবান, লন্ড্রি সাবান, লবণ, চা, আটা ও মসলা থাকবে 'ঐচ্ছিক পণ্য' হিসেবে। অর্থাৎ কার্ডধারী ছাড়াও যে কেউ এসব পণ্য কিনতে পারবেন।

টিসিবির নতুন নির্দেশিকায় আগের মতো ফ্যামিলি কার্ডধারীরা প্রতি মাসে পাবেন ভোজ্যতেল, চিনি ও ডাল। রমজানে বাড়তি মিলবে খেজুর ও ছোলা। তবে এর বাইরেও সুগন্ধি সাবান, গুঁড়ো সাবান, লন্ড্রি সাবান, লবণ, চা, আটা ও মসলা থাকবে 'ঐচ্ছিক পণ্য' হিসেবে। অর্থাৎ কার্ডধারী ছাড়াও যে কেউ এসব পণ্য কিনতে পারবেন।

পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে অনুমতি সাপেক্ষে পেঁয়াজ ও আলুসহ যে কোনো ধরনের পণ্য বিক্রি করতে পারবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

এমন সব সুবিধা দিয়ে টিসিবির নতুন নির্দেশিকা তৈরি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, যা শিগগির জারি হবে বলে জানা গেছে। এ নির্দেশিকা জারি হলে আগে জারি করা সব পরিপত্র বাতিল হয়ে যাবে। অর্থাৎ এ নির্দেশিকা মোতাবেক পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ নির্দেশিকায় টিসিবির পণ্য বিক্রয় পরিকল্পনার পাশাপাশি উপকারভোগী নির্বাচনসহ ডিলারদের মনিটরিং ও বণ্টন প্রক্রিয়ার কড়াকড়ি এনেছে সরকার।

যেভাবে পণ্য পাবে সাধারণ মানুষ

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ভর্তুকি মূল্যে ২ লিটার ভোজ্যতেল, ২ কেজি মসুর ডাল, ১ কেজি চিনি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ সাপেক্ষে ৫ কেজি চাল পাবে। এছাড়া রমজান মাসে ছোলা ও খেজুর এবং সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্তে সময়ে সময়ে পেঁয়াজ ও আলুর মতো নিত্যপণ্যও এই তালিকায় যুক্ত হবে।

তবে টিসিবির ভর্তুকির চাপ কমাতে এ বিক্রয় কার্যক্রমে যুক্ত করা হবে বেশকিছু ‌'ঐচ্ছিক পণ্য'। তিন ধরনের সাবানসহ লবণ, চা, আটা ও মসলা থাকবে এর মধ্যে। তবে এসব পণ্য ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য ঐচ্ছিক। অর্থাৎ চাইলে নেবেন, না হলে নয়।

ডিলাররা কার্ডধারীদের কোনোভাবে এসব পণ্য কিনতে বাধ্য করতে পারবেন না। আবার এসব পণ্য সাধারণ ভোক্তাদের কাছেও নির্ধারিত সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করতে পারবেন ডিলাররা। প্রয়োজন সাপেক্ষে ঐচ্ছিক পণ্য তালিকায় নতুন কোনো পণ্য যোগ করতে পারবে টিসিবি। তবে এক্ষেত্রে সরকারের পূর্ব অনুমতি নিতে হবে।

টিসিবি কার্ডে অগ্রাধিকার পাবেন যারা

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, সমাজের প্রকৃত হতদরিদ্র, দিনমজুর, ভূমিহীন, কৃষি ও চা শ্রমিক, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এবং অসচ্ছল ও কাজ করতে অক্ষম ব্যক্তি কার্ডের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। এছাড়া বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা বা প্রতিবন্ধী সন্তান রয়েছে এমন পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।

অন্যদিকে সরকারি অন্য কোনো সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না।

টিসিবির পণ্য বিক্রয়ে যে কোনো অনিয়ম রুখতে গঠন করা হয়েছে বহুমুখী মনিটরিং কমিটি। সিটি করপোরেশনে মেয়র, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে মনিটরিং কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে নির্দেশনায়।

এছাড়া সচ্ছল পরিবার বা একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানসহ একাধিক সদস্যকে কোনোভাবেই কার্ড দেওয়া যাবে না। আর এখন থেকে কার্ড নেওয়ার ক্ষেত্রে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে।

ডিজিটাল তথ্যভান্ডার ও কার্ড অ্যাক্টিভেশন

স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সুবিধাভোগীদের এনআইডি, স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি এবং নিজস্ব নামে নিবন্ধিত সচল মোবাইল নম্বর দিয়ে 'টিসিবি সেবা অ্যাপস'-এর ডাটাবেজে তথ্য ভেরিফাই করতে হবে। কার্ড হারিয়ে গেলে নির্ধারিত ফি দিয়ে পুনরায় আবেদন করা যাবে এবং নতুন কার্ডের জন্য অ্যাপের মাধ্যমে পুনঃঅ্যাক্টিভেশন সম্পন্ন করতে হবে।

ডিলারদের কঠোর নজরদারি

ডিলারদের নির্ধারিত দোকান বা বিক্রয় পয়েন্টে মূল্যতালিকা ও টিসিবির ভর্তুকিমূল্যে পণ্য বিক্রির দোকান লেখা ব্যানার দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক। পণ্য বিক্রির সময় পয়েন্ট অব সেল মেশিন বা স্মার্ট কার্ড স্ক্যান করে তবেই পণ্য হস্তান্তর করতে হবে। কোনোভাবেই কার্ডধারী ছাড়া অন্য কারও কাছে ভর্তুকির পণ্য বিক্রি করা যাবে না।

টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রেও এসেছে স্বচ্ছতা। টিসিবি নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়া অন্য কোথাও নগদ টাকা লেনদেন করা যাবে না। ব্যাংকে টাকা জমার পর ডিজিটাল এপিআই নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে মেলানোর পরই গুদাম থেকে পণ্য খালাসের অনুমতি মিলবে।

মাঠপর্যায়ে কঠোর মনিটরিং ও নিরাপত্তা

টিসিবির পণ্য বিক্রয়ে যে কোনো অনিয়ম রুখতে গঠন করা হয়েছে বহুমুখী মনিটরিং কমিটি। সিটি করপোরেশনে মেয়র, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে মনিটরিং কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে নির্দেশনায়।

এছাড়াও প্রতিটি ওয়ার্ডে 'ট্যাগ টিম' গঠন করতে হবে। ট্যাগ টিমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে পণ্য খালাস ও বিতরণ করতে হবে। ডিলার নির্ধারিত ওজন ও গুণগত মান মেনে পণ্য দিচ্ছেন কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করবে এই দল।

যে কোনো সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা অনিয়ম ঠেকাতে বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এনএইচ/এমআইএইচএস/ এমএফএ

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

স্বাস্থ্য

ফর্টিফায়েড চাল আসলে কতটা পুষ্টি দিচ্ছে, যাচাইয়ে ডব্লিউএফপির কাছে সাড়ে ৪ লাখ ডলার সহায়তা চাইল সরকার

প্রায় ৩০০ উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে বিতরণ হওয়া পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা আর সরকারি গুদামে চালের মান ধরে রাখার নীতিমালায় কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

বাংলা নিউজ ২৪২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

১৯৮৩ সালের পর প্রথম মাছ-পুকুর শুমারি: ৩১.৮২ কোটির প্রকল্পে পরামর্শকেই ২৩.৩৪ কোটি

অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের মৎস্যসম্পদ জরিপ পদ্ধতি উন্নয়নের প্রকল্পে একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের জন্য ২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ধরেছে মৎস্য অধিদপ্তর; অধিদপ্তর বলছে ৩০ লাখ স্পটের তুলনায় এটা কম, অর্থনীতিবিদের প্রশ্ন যৌক্তিকতা নিয়ে।

জাগো নিউজ ২৪২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

হাইমচরের ১,০৭২ বরজে বছরে ৫২ কোটি টাকার পান, কৃষকের বিড়া ৫০ টাকা, ক্রেতার ১৫০

চাঁদপুরের হাইমচরে ২৩৫ হেক্টরে পান চাষে জড়িত ৫ থেকে ৬ হাজার মানুষ; উৎপাদন খরচ ও শ্রমিকের মজুরি বাড়ার সঙ্গে মধ্যস্বত্বভোগীর দাপটে ন্যায্য দাম নিয়ে চাষিদের অভিযোগ।

জাগো নিউজ ২৪২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)